ঢাকাই চলচ্চিত্রের লাস্যময়ী নায়িকা দিলারা হানিফ পূর্ণিমা, তার ক্যারিয়ারে অনেক জনপ্রিয় সিনেমা উপহার দিয়েছেন। অভিনয় ও সৌন্দর্য দিয়ে বছরের পর বছর দর্শক মাতিয়ে রেখেছেন। তাকে ‘জাতীয় ক্রাশও’ বলা হয়ে থাকে।
কয়েক দিন আগে একটি টিভি অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়েছিলেন পূর্ণিমা। এ কথোপকথনে পূর্ণিমার কাছে জানতে চাওয়া হয়, আপনাকে ‘জাতীয় ক্রাশ’ বলা হয়, এটা আপনার কেমন লাগে? জবাবে পূর্ণিমা বলেন, “অবশ্যই ভালো লাগে।” এরপর সঞ্চালক প্রশ্ন রাখেন, এটা যখন বলা হয়—‘আমার বাবা আপনার ভক্ত ছিলেন, আমিও ভক্ত, আমার ছেলেও আপনার ভক্ত।’ এটা শুনে কেমন লাগে? জবাবে পূর্ণিমা বলেন, “আরো বেশি ভালো লাগে।”
দিলারা হানিফ পূর্ণিমা
পূর্ণিমার উত্তর শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সঞ্চালক প্রশ্ন ছুড়ে দেন, আপনি কি এতটা বয়স্ক? উত্তরে পূর্ণিমা বলেন, “দর্শকরা কেন জানি মনে করেন, আমি বয়স্ক। অনেকে বলেন, দাদার ক্রাশ, বাবার ক্রাশ। এমন অনেক কমেন্ট শুনি। আমি এটা ইনজয় করি, ভালো লাগে।”
চলচ্চিত্রের কাজে পূর্ণিমা এখন প্রায় অনুপস্থিত। দীর্ঘ সময় ধরে দূরে রয়েছেন। অনেক নির্মাতা মনে করেন, পূর্ণিমার একটু বেশি ভাব! পূর্ণিমা কথা বলতে চায় না। তাছাড়া পূর্ণিমা তো দেশেই থাকেন না। এমন নানা অভিযোগ ইন্ডাস্ট্রিতে প্রচলিত রয়েছে।
দিলারা হানিফ পূর্ণিমা
পূর্ণিমার কাছে বিষয়গুলো তুলে ধরা হলে এই অভিনেত্রী বলেন, “সোশ্যাল মিডিয়ায় যেসব ছবি শেয়ার করি, সেসবের অধিকাংশ বিদেশে বেড়াতে গিয়ে তোলা। ফলে অনেকে মনে করেন আমি একেবারে বিদেশে চলে গিয়েছি, সুতরাং উনাকে পাওয়া যাবে না। আসলে এটা ভুল ধারণা। অবশ্যই, আমি কাজ করতে চাই।”
পূর্ণিমা তার ব্যক্তিত্ব নিয়ে বলেন, “আমি যেভাবে কথা বলি, এটাকে অনেকে ভাব মনে করেন। আসলে আমার ব্যক্তিত্বটাই এরকম। আমি যখন ছোট, মানে নতুন কাজ করতে আসি, তখন তো আরো কথা বলতাম না।”
দিলারা হানিফ পূর্ণিমা
জাকির হোসেন রাজু পরিচালিত ‘এ জীবন তোমার আমার’ সিনেমার মাধ্যমে রুপালি জগতে পা রাখেন পূর্ণিমা। ১৯৯৭ সালে মুক্তি পায় তার অভিষেক সিনেমা; তখন ক্লাস নাইনে পড়েন পূর্ণিমা। এরপর ‘মনের মাঝে তুমি’, ‘মেঘের পরে মেঘ’, ‘শাস্তি’, ‘হৃদয়ের কথা’-এর মতো জনপ্রিয় সিনেমা উপহার দিয়েছেন এই তারকা।