জম্মু ও কাশ্মীরকে বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে কেন্দ্র শাসিত দুটি অঞ্চলে ভাগ করতে যাচ্ছে ভারত সরকার। বুধবার বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।
গত ৫ আগস্ট কাশ্মীরের বিশেষ রাজ্যের মর্যাদা বাতিল করে নয়া দিল্লি। এর পাশাপাশি জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখকে দুটি পৃথক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেব ঘোষণা দেওয়া হয়। কাশ্মীরিদের প্রতিবাদ-বিক্ষোভ দমনে চার শতাধিক রাজনৈতিক নেতাকর্মীকে আগেভাগেই গ্রেপ্তার করে কেন্দ্রীয় সরকার। এছাড়া রাজ্যে মোতায়েন করা হয় অতিরিক্ত কয়েক হাজার সেনা ও পুলিশ। পরিস্থিতি সামাল দিতে রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে কারফিউ জারি করা হয়।
বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী মোদির রাজ্য গুজরাটের প্রাক্তন আমলা জি সি মারমু জম্মু ও কাশ্মীরের প্রথম লেফটেন্যান্ট জেনারেল হিসেবে শপথ নিতে যাচ্ছেন। আরেক প্রাক্তন আমলা রাধা কৃষ্ণা মাথুর বৌদ্ধপ্রধান অঞ্চল লাদাখের লেফটেন্যান্ট জেনারেল হিসেবে দাায়িত্ব নেবেন।
বরফ ঢাকা লাদাখে পর্যটন ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে মনোযোগ দিতে চাচ্ছে মোদি সরকার। চীনের সঙ্গে লাদাখ সীমান্ত নিয়ে বিরোধ থাকায় এই অঞ্চলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরো জোরদার করতে চায় কেন্দ্র।
বিচ্ছিন্নতাবাদীদের অঞ্চল হিসেবে পরিচিত কাশ্মীর থেকে সরে গিয়ে হিন্দুপ্রধান অঞ্চল জম্মুতে উন্নয়নে মনোযোগী হতে চায় ক্ষমতাসীন হিন্দুত্ববাদী দল বিজেপি।
কাশ্মীর নিয়ে রাজনৈতিক নীতি নির্ধারণে নয়া দিল্লিতে সংশ্লিষ্ট এক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, ‘গল্পের তিনটি অংশ রয়েছে-জম্মু, কাশ্মীর ও লাদাখ। সমস্যা আটকে আছে কাশ্মীর নিয়ে এবং এর জেলার সংখ্যাও কম। তাহলে অন্য অঞ্চলগুলোকে কেন দুর্ভোগ পোহাতে হবে?’
ঢাকা/শাহেদ