আন্তর্জাতিক

বায়ুদূষণ বাড়লে আত্মহত্যার প্রবণতাও বাড়ে

বায়ুদূষণের মাত্রা যেখানে বেশি সেখানকার বাসিন্দাদের মধ্যে হতাশা ও আত্মহত্যার প্রবণতাও বেশি। ইউনিভার্সিটি কলেজ অব লন্ডনের পরিচালিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের যে বৈধমাত্রা সে অনুপাতে বৈশ্বিক দূষণ কমিয়ে আনলে কোটি কোটি মানুষকে হতাশাগ্রস্ত হওয়া থেকে ফেরানো যাবে। দূষিত বায়ুর কারণে মানুষের মধ্যে এই হতাশাবোধ সৃষ্টি হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এনভায়রনমেন্টাল হেলথ পার্সপেক্টিভস সাময়িকীতে প্রকাশিত প্রতিবেদনটি তৈরিতে ২০১৭ সাল পর্যন্ত প্রকাশিত ১৬ দেশের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এতে দেখা গেছে, দূষিত বায়ুর সঙ্গে হতাশা ও আত্মহত্যার একটি সম্পর্ক রয়েছে।

সম্প্রতি আরেকটি গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, দূষিতবায়ুর সঙ্গে মানসিকভাবে অসুস্থ লোকদের মৃত্যুর সম্পর্ক রয়েছে। এছাড়া দূষণের কারণে কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে হতাশা বৃদ্ধির ঝুঁকি রয়েছে চার গুণ।

গবেষক দলের সদস্য ইসোবেল ব্রেইথওয়েইট বলেন, ‘আমরা জানি দূষিতবায়ুর সবচেয়ে ভালো কণাটিও রক্তপ্রবাহ ও নাক দিয়ে মস্তিস্কে পৌঁছায়। এই বায়ু দূষণের কারণে মস্তিস্কে প্রদাহ দেখা দেয়, নার্ভ সেলের ক্ষতি হয় এবং স্ট্রেস হরমোনের উৎপাদন বৃদ্ধি পায়, যার সঙ্গে দুর্বল মানসিক স্বাস্থ্যের সম্পর্ক রয়েছে’। ঢাকা/শাহেদ