আন্তর্জাতিক

করোনা চিকিৎসার দৌড়ে আরেক জাপানি ওষুধ

করোনাভাইরাসের চিকিৎসা ব্যবস্থার দৌড়ে অ্যাভিগানের পর এবার আরেকটি জাপানি ওষুধ যুক্ত হয়েছে। ক্যামোস্ট্যাট নামের এই ওষুধটি ৩৫ বছর ধরে জাপানে অগ্ন্যাশয়ের স্ফীতি ও প্রদাহ চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

মার্চে চীনা গবেষকরা জানিয়েছিলেন, করোনাভাইরাসের কারণে সর্দি-কাশি চিকিৎসায় অ্যাভিগান বেশ কার্যকর। এটি এখন অন্তত ১৪ বারের মতো ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে আছে। ওষুধটি উৎপাদনে জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে ১২ কোটি ৮০ লাখ ডলারের তহবিল দিয়েছেন। করোনা রোগীদের ওপর ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে জিলিড সায়েন্সে ইনকরপোরেশনের রেমিডিসিভির বেশ কার্যকর বলে যুক্তরাষ্ট্রের কিছু গবেষক দাবি করেছিলেন। এর পরপরই করোনা চিকিৎসায় ব্যবহারের জন্য জরুরি অনুমোদন দেয় যুক্তরাষ্ট্র ও জাপান।

ওনো ফারমাসিউটিক্যালস উৎপাদিত ক্যামোস্ট্যাট অগ্ন্যাশয়ের স্ফীতি ও প্রদাহসহ কিছু ক্যান্সারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। তবে প্রাণীর ওপর সার্স-কোভ-১ চিকিৎসায় ক্যামোস্ট্যাট ব্যবহারে দেখা গেছে, এটি অ্যান্টিভাইরাল হিসেবে কার্যকর। এটি সতর্কতার সঙ্গে উচ্চমাত্রা ব্যবহারে গবেষণাগারে সফলতাও মিলেছে।

বৈজ্ঞানিক গবেষণা সাময়িকী সেলে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফুসফুসে প্রবেশের জন্য যে প্রয়োজনীয় এনজাইমটির প্রয়োজন হয় করোনাভাইরাসের তাকে ব্লক বা অবরুদ্ধ করে দেয় ক্যামোস্ট্যাট। এ বিষয়টি গবেষকদের মধ্যে উৎসাহ সঞ্চার করেছে।

এদেরই একজন ইয়ালি স্কুল অব মেডিসিনের অধ্যাপক ড. জোসেফ ভিনটেজ। তিনি ইতোমধ্যে ওষুধটির ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু করেছেন।

ড. জোসেফ বলেন, ‘রেকর্ডে আসতে এর ৩৫ বছর সময় লেগেছে, তাই একে নিরাপদ ওষুধ বলা যায়।  আমি বলেছি, আমাদের এটা চেষ্টা করা উচিত। আমি একজন চিকিৎসক এবং মানুষকে দেওয়ার জন্য যে কোনো কিছুর জন্য আমরা মরিয়া।’ ঢাকা/শাহেদ