পাঁচজন ইরানি কর্মকর্তার উপর বৃহস্পতিবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। তাদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দমনে নির্যাতনের অভিযোগ এনেছেন মার্কিন কর্মকর্তারা।
এছাড়া মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ জানিয়েছে, তারা ইরানি নেতাদের আন্তর্জাতিক ব্যাংকগুলোতে তহবিল পাঠানোর উপর নজর রাখছে। কারণ প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেহরানের উপর চাপ বজায় রেখেছেন।
মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য সুপ্রিম কাউন্সিলের প্রধানের পাশাপাশি ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস এবং আইন প্রয়োগকারী বাহিনীর কমান্ডারদের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ফার্দিস কারাগারেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের দাবি, এই কারাগারে নারীরা ‘নিষ্ঠুর, অমানবিক এবং অবমাননাকর আচরণ সহ্য করেছেন।’
বৃহস্পতিবার একটি ভিডিওতে ট্রেজারি মন্ত্রী স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, ইরানের নেতাদের প্রতি ওয়াশিংটনের বার্তা স্পষ্ট: ‘মার্কিন ট্রেজারি জানে, ডুবন্ত জাহাজের ইঁদুরের মতো, আপনি ইরানি পরিবার থেকে চুরি করা তহবিল উন্মত্তভাবে বিশ্বজুড়ে ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানে প্রেরণ করছেন। নিশ্চিত থাকুন, আমরা আপনাকে অনুসরণ করব। কিন্তু এখনো সময় আছে, যদি আপনি আমাদের সাথে যোগ দিতে চান- যেমনটা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, সহিংসতা বন্ধ করুন এবং ইরানের জনগণের সাথে দাঁড়ান।”
নিউইয়র্কে জাতিসংঘে ইরানের মিশন তাৎক্ষণিকভাবে মন্তব্যের অনুরোধের জবাব দেয়নি। ইরানের শাসকরা তাদের দীর্ঘদিনের শত্রু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলকে এই অস্থিরতার জন্য দায়ী করেছেন।