মধ্যপ্রাচ্যে একটি নৌবহর পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। একইসঙ্গে ইরানের ওপর নজর রাখছে যুক্তরাষ্ট্র। তেহরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে পাঁচ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে বলে অধিকার সংগঠনগুলো দাবি করার পরিপ্রেক্ষিতে শুক্রবার ট্রাম্প এ মন্তব্য করেছেন।
দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম থেকে ফিরে আসার সময় এয়ার ফোর্স ওয়ানে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, “আমাদের অনেক জাহাজ সেই দিকে যাচ্ছে, শুধু যদি কিছু ঘটে। আমি চাই না যে কিছু ঘটুক, তবে আমরা তাদের খুব কাছ থেকে দেখছি ... আমাদের একটি নৌবহর আছে ... সেই দিকে এগিয়ে যাচ্ছে এবং সম্ভবত আমাদের এটি ব্যবহার করতে হবে না।”
বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন এবং বেশ কয়েকটি গাইডেড-ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসকারী জাহাজ আগামী কয়েক দিনের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। অতিরিক্ত বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করা হচ্ছে, এগুলো সম্ভবত মার্কিন এবং ইসরায়েলি বিমানঘাঁটির আশেপাশে। দোহার অনুরোধে যুক্তরাজ্য জানিয়েছে, তারা কাতারে ১২ স্কোয়াড্রন থেকে আরএএফ ইউরোফাইটার টাইফুন জেট পাঠাবে।
দুই সপ্তাহ আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইরানে আক্রমণের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন। অবশ্য বিক্ষোভকারীদের তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে ‘সাহায্য আসছে।’
২৮ ডিসেম্বর ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয় এবং এক পর্যায়ে এটি সহিংস রূপ নেয়। শুক্রবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার কর্মী সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, বিক্ষোভকারীদের উপর ইরানের দমন-পীড়নে নিহতের সংখ্যা ৫ হাজার ২ জনে পৌঁছেছে - যার মধ্যে ৪ হাজার ৭১৬ জন বিক্ষোভকারী, ২০৩ জন সরকার-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, ৪৩ জন শিশু এবং ৪০ জন বেসামরিক নাগরিক।