সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান জানিয়েছেন, রিয়াদ তার আকাশসীমা বা ভূখণ্ড তেহরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের জন্য ব্যবহার করতে দেবে না। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানকে তিনি এ কথা বলেছেন বলে মঙ্গলবার জানিয়েছে সৌদি আরবের সরকারি বার্তা সংস্থা এসপিএ।
পেজেশকিয়ানের সাথে এক ফোনালাপে, ক্রাউন প্রিন্স এই অঞ্চলে নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা জোরদার করার জন্য ‘সংলাপের মাধ্যমে মতপার্থক্য নিরসনের প্রচেষ্টার’ প্রতি তার দেশের সমর্থন নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে ইরানি গণমাধ্যম জানিয়েছে, পেজেশকিয়ান বিন সালমানকে বলেছেন যে তেহরান আন্তর্জাতিক আইনের কাঠামোর মধ্যে যেকোনো প্রক্রিয়াকে স্বাগত জানায় যা যুদ্ধ প্রতিরোধ করে।
সোমবার সংযুক্ত আরব আমিরাত জানিয়েছিল, তারা তাদের আকাশসীমা বা জলসীমা ব্যবহার করে ইরানের বিরুদ্ধে কোনো সামরিক পদক্ষেপের অনুমতি দেবে না।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত সপ্তাহে হুমকি দিয়ে বলেছিলেন, ইরানের দিকে একটি মার্কিন রণতরী এগিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু তিনি আশা করেন যে তাকে এটি ব্যবহার করতে হবে না। ট্রাম্পের এই হুমকির পর থেকে ইরানে সামরিক পদক্ষেপের সম্ভাবনা নিয়ে অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।
ট্রাম্প মঙ্গলবার ফের হুমকি দিয়ে জানিয়েছেন, আরেকটি মার্কিন রণতরী ইরানের দিকে যাচ্ছে এবং তিনি আশা করেছিলেন যে তেহরান ওয়াশিংটনের সাথে একটি চুক্তি করবে।
ট্রাম্প বলেছেন, “এখনই ইরানের দিকে সুন্দরভাবে আরেকটি সুন্দর রণতরী ভাসছে। আমি আশা করি তারা একটি চুক্তি করবে।”