আন্তর্জাতিক

নির্বাচনে জয় পেলেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী

জাপানের আগাম নির্বাচনে পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানা তাকাইচির জোট লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি। রবিবার সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, দলটি  ৪৬৫টি আসনের মধ্যে ২৭৪টিতে বিজয় নিশ্চিত করেছে দলটি।

এর আগের নির্বাচনে ১৯৮টি আসন পেয়েছিল এলডিপি। এবারের নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ায় এলডিপি-নেতৃত্বাধীন জোট উচ্চকক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতার অভাবের ফলে উদ্ভূত চ্যালেঞ্জগুলোকে অতিক্রম করতে সক্ষম হবে। উচ্চকক্ষে গুরুত্বপূর্ণ বিল এবং বাজেটগুলো যদি ভোটাভুটিতে বাতিল হয়ে যায়, তবে নিম্নকক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে উচ্চকক্ষের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা সম্ভব।

নির্বাচনের ঠিক আগে জাপানের সাংবিধানিক গণতান্ত্রিক পার্টি (সিডিপি) এবং কোমেই গঠিত বিরোধী কেন্দ্রীয় সংস্কার জোট (সিআরএ) এখনো পর্যন্ত মাত্র ৫৯ আসনে জয় পেয়েছে। এই পরাজয়ের ফলে দলের সহ-নেতা ইয়োশিহিকো নোদা পদত্যাগ করতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে দলের পক্ষে থেকে এখনো কিছু জানানো হয়নি।

এবারের নির্বাচনের ফলাফল দেখে ধারণা করা হচ্ছে, জাপানের রাজনৈতিক দৃশ্যপট ২০১২ সালের মতোই হতে পারে।  ২০০৯ সালের এক বিপর্যয়কর নির্বাচনের পর এলডিপি ২৯৪টি আসন জিতে নিম্নকক্ষের নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার করে। এই জয় জাপানের উপর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের প্রায় আট বছরের শাসনের সূচনা হিসেবে কাজ করেছিল। 

তাকাইচির জয়ের খবরে বিদেশী নেতারা অভিনন্দন বার্তা পাঠাতে শুরু করেছেন। ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি সাম্প্রতিক টোকিও সফরে তাকাইচির সাথে তার আলিঙ্গনের একটি ছবি পোস্ট করেছেন।