ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুতে রাশিয়াসহ অনেক দেশই শোক প্রকাশ করেছে। তবে ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক থাকলেও শোক প্রকাশ করেনি ভারত। কিন্তু কেন?
ভারতের সাথে খামেনির সম্পর্কের রেকর্ড ছিল তিক্ত। ২০১৭-২০২৪ সাল পর্যন্ত তিনি ইরান-ভারত সম্পর্কের বিষয়ে চারবার হস্তক্ষেপ করেছিলেন। এর ফলে প্রতিবারই ভারতীয় পররাষ্ট্র দপ্তর ইরানি রাষ্ট্রদূতদের তলব করেছিল।
২০১৭ সালে খামেনি কাশ্মীরের নিপীড়িত মুসলমানদের পক্ষে প্রথম কথা বলেছিলেন। ২০১৯ সালে ভারত যখন সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল করে কাশ্মীরকে কেন্দ্রশাসিত রাজ্যে পরিণত করে তখন তিনি এর প্রতিবাদ করে একটি ‘ন্যায়সঙ্গত নীতি’ দাবি করেছিলেন। ২০২০ সালের দিল্লি দাঙ্গার সময় ‘চরমপন্থী হিন্দুদের হাতে’ মুসলিমদের গণহত্যার প্রতিবাদ জানিয়ে টুইট করেছিলেন খামেনি। ওই সময় তিনি IndianMuslimsInDanger হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করেছিলেন। ইরানের সংসদ ভারতের নাগরিকত্ব সংশোধন আইনকে মুসলিমবিরোধী বলে নিন্দা জানিয়েছিল। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে তিনি ভারতকে গাজা এবং মায়ানমারের সাথে তুলনা করেছিলেন।
স্বাভাবিক কারণেই মোদির উগ্র হিন্দুত্ববাদী সরকার খামেনির ওপর নাখোশ।