ইরানের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান সংঘাত ও মধ্যপ্রাচ্যে অস্থির পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে ওই অঞ্চলে নিজের সামরিক উপস্থিতি আরো শক্তিশাী করছে যুক্তরাষ্ট্র।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ইসরায়েল হাইয়োম এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। খবর আল-জাজিরার।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত ১৫টি রিফুয়েলিং এয়ারক্রাফট (জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান) মোতায়েন করে নিজেদের সামরিক শক্তি জোরদার করছে যুক্তরাষ্ট্র।
এই বিমানগুলো যুদ্ধবিমান এবং অন্যান্য সামরিক বিমানকে আকাশে উড্ডয়নরত অবস্থায় জ্বালানি সরবরাহ করতে সক্ষম। এর ফলে বিমানগুলোকে জ্বালানির জন্য মাটিতে নামতে হয় না এবং খুব দ্রুত জ্বালানি স্থানান্তর নিশ্চিত করা যায়।
ইসরায়েল হাইয়োম আরও জানিয়েছে, এই রিফুয়েলিং বিমানগুলোর সাথে বেশ কিছু যুদ্ধবিমানও পাঠানো হয়েছে। তবে ঠিক কতটি যুদ্ধবিমান মোতায়েন করা হয়েছে, সে বিষয়ে প্রতিবেদনে সুনির্দিষ্ট কিছু বলা হয়নি।
সোমবার (২ মার্চ) মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক অভিযানের একটি ‘বিশাল ঢেউ’ এখনও আসা বাকি। বর্তমান অভিযানকে তিনি কেবল একটি বৃহত্তর হামলার শুরু হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “আমরা এখনও তাদের ওপর শক্তভাবে আঘাত করা শুরুই করিনি। বড় ঢেউটি এখনও আসেনি। সেই বড় হামলাটি খুব শিগগির আসছে।”