ইরানে হামলার পাঁচ দিনের মাথায় এসে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলাইন লিভিট বলছেন, ইরানে চারটি লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্র্রাম্প।
বুধবার (৪ মার্চ) ব্রিফিংয়ে লিভিট ইরানে ট্রাম্পের চারটি মূল লক্ষ্য অর্জনের তথ্য তুলে ধরেন। তবে সেদেশে শাসন ব্যবস্থা পরিবর্তনের লক্ষ্যের কথা বলা নেই লিভিটের কথায়। যেখানে ট্রাম্প ইরানের জনগণকে তাদের ভবিষ্যৎ নিজেদের হাতে তুলে নেওয়ার চমৎকার সুযোগ গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে আসছিলেন, এখন হুট করে সেই লক্ষ্য উচ্চারণ করা বন্ধ করে দিচ্ছে তার প্রশাসন।
ইরানে ট্রাম্পের কী সেই চার লক্ষ্য?
১. ইরানের নৌবাহিনী ধ্বংস করা
২. ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ক্ষমতা ধ্বংস করা
৩. মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের প্রতিনিধি গোষ্ঠীগুলো যাতে ‘মার্কিন নাগরিকদের আর ক্ষতি করতে না পারে, তা নিশ্চিত করা
৪. ইরান যেন ‘কখনো পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে’, সেটি নিশ্চিত করা
লিভিট আরো বলেন, এই লক্ষ্যগুলো পুরোপুরি অর্জিত হলে বিজয় নির্ধারিত হবে। তবে তিনি কোনো সময়সীমা বা অতিরিক্ত বিস্তারিত তথ্য জানাননি।
এর আগে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেন, ট্রাম্প প্রশাসন এই লড়াই যতক্ষণ প্রয়োজন ততক্ষণ চালিয়ে যাবে।
ইরানে হামলার মাধ্যমে ট্রাম্প যে চারটি লক্ষ্য অর্জনের কথা বলছেন, তা ঘুরে ফিরে দেশটির সামিরক সক্ষমতা ধ্বংসেরই কথা। তাহলে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার পর ট্রাম্প যে বাগাড়ম্বর করলেন, ইরানে নতুন নেতৃত্বের জাগরণের কথা বললেন, সেসব এখন একদমই রইল না।