ইরানের হরমোজগান প্রদেশের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর মিনাবে গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) একটি বালিকা বিদ্যালয়ে ভয়াবহ হামলার ঘটনায় বিশ্বজুড়ে সমালোচনার ঝড় চলছে।
ইরানি কর্মকর্তাদের মতে, এই হামলায় ১৬০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। নিহতদের বেশিরভাগই প্রাথমিক বিদ্যালয়টির ছাত্রী।
এই ঘটনার জন্য এবার সরাসরি ইরানকেই দায়ী করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। খবর বিবিসির।
হামলার ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় সময় শনিবার (৭ মার্চ) রাতে এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের প্রশ্নে মুখে পড়েন ট্রাম্প। ট্রাম্পের কাছে জানতে চাওয়া হয় যে, ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) ঘাঁটির কাছে এই হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্র দায়ী কি না।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প উত্তরে বলেন, “না, আমি যা দেখেছি তার ওপর ভিত্তি করে আমার মনে হয়, এটি ইরানই করেছে।”
একজন সাংবাদিক তখন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ-এর কাছে জানতে চান এটি সত্য কি না। তিনি উত্তর দেন, “আমরা তদন্ত করছি, তবে একমাত্র ইরানই বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু করে।”
ট্রাম্প পুনরায় জোর দিয়ে বলেন, “আমরা মনে করি এটি ইরানই করেছে... আপনারা জানেন, তাদের গোলাবারুদ বা অস্ত্রশস্ত্র নিখুঁত নয়। তাদের কোনো ধরনের নির্ভুলতা নেই। এটি ইরানই করেছে।”
গত সপ্তাহে ইরানের সামরিক স্থাপনা ও নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের ব্যাপক হামলার সময় মিনাব শহরের স্কুলটি আঘাতপ্রাপ্ত হয়।
ইরানি কর্মকর্তারা এই হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলকে দায়ী করেছেন। এমনকি তিনদিন আগে মার্কিন সামরিক তদন্তকারী কর্মকর্তারাও বলেছিলেন যে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বালিকা বিদ্যালয়ে যে হামলা হয় এবং যাতে বহু শিশু নিহত হয়েছে, সেটির জন্য সম্ভবত মার্কিন বাহিনীই দায়ী।
তবে ট্রাম্প ইরানের স্কুলে প্রাণঘাতি এই হামলার জন্য ইরানকেই দায়ী করলেন।