ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের মধ্যকার সংঘাত তীব্রতর হওয়ায় উপসাগরীয় অঞ্চলে জ্বালানি স্থাপনায় হামলা অব্যাহত রয়েছে।
ইসরায়েল ইরানের তেল ডিপো ও অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালালে, পাল্টা হিসেবে ইরান সৌদি আরব, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইনের মতো দেশগুলোর জ্বালানি স্থাপনা ও ড্রোন হামলার নিশানা করছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার খবর অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে ইরান থেকে দফায় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। এই হামলার ফলে ওই অঞ্চলের জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, ইরান থেকে আসা বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন মোকাবিলা করছে তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।
অন্যদিকে, কুয়েত সীমান্তে ছয়টি ড্রোন আকাশেই ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।
হামলার সবচেয়ে ভয়াবহ প্রভাব পড়েছে বাহরাইনে। সেখানে একটি আবাসিক ভবনে প্রজেক্টাইল আঘাত হানলে একজন নারী নিহত হন। বাহরাইনের জ্বালানি খাতের ওপরও বড় আঘাত এসেছে। দেশটির বাপকো তেলক্ষেত্রে ড্রোন হামলার পর কোম্পানিটি ‘অনিবার্য পরিস্থিতি’ ঘোষণা করতে বাধ্য হয়েছে। এর ফলে কোম্পানিটি তাদের পূর্বনির্ধারিত চুক্তি অনুযায়ী তেল সরবরাহে অপারগতা প্রকাশ করেছে।
সৌদি আরবের শায়বাহ তেলক্ষেত্রেও বড় ধরনের ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।
ইরানের তেলের ডিপোতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলা ও তেহরানের পাল্টা এসব হামলার ঘটনায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের সরবরাহ এবং স্থিতিশীলতা নিয়ে নতুন করে শঙ্কা দেখা দিচ্ছে।