আন্তর্জাতিক

‘আকাশসীমা লঙ্ঘন গ্রহণযোগ্য নয়’, ইরানকে তুরস্কের সতর্কতা

তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে এক ফোনালাপে বলেছেন, তুরস্কের আকাশসীমা লঙ্ঘন কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র আল-জাজিরাকে এই তথ্য জানিয়েছে।

ন্যাটোর আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার এক দিন পর ফিদান আরাঘচিকে সতর্ক করে বলেন যে, এই ধরনের লঙ্ঘন ঠেকাতে তুরস্ক প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। জবাবে আরাঘচি আগের বক্তব্যের পুনরাবৃত্তি করে জানান যে, এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ইরান থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়নি এবং তারা বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত তদন্তের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান বনাম যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে সোমবার (৯ মার্চ) তুরস্কের দিকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার দ্বিতীয় ঘটনা ঘটে। 

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, ন্যাটোর আকাশসীমায় দ্বিতীয়বারের মতো ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রুখে দেওয়ার পর দেশের মধ্যাঞ্চলে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করা হচ্ছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, “আমাদের সীমান্ত এবং আকাশসীমার নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং ন্যাটো ও মিত্রদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। জাতীয় পর্যায়ের ব্যবস্থার পাশাপাশি ন্যাটোও তাদের আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করেছে।”

বিবৃতিতে আরো জানানো হয়, তুরস্কের আকাশসীমা সুরক্ষায় নিয়োজিত একটি প্যাট্রিয়ট সিস্টেম এখন থেকে তুরস্কের মধ্যাঞ্চলীয় প্রদেশ মালাতিয়া-তে মোতায়েন থাকবে।

মালাতিয়া তুরস্কের কুরেচিক বিমান ঘাঁটির জন্য পরিচিত। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা যেখানে মার্কিন সেনারা অবস্থান করে এবং এখানে ন্যাটোর একটি আর্লি-ওয়ার্নিং রাডার সিস্টেম রয়েছে, যা ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ শনাক্ত করতে সক্ষম। এবার এটির নিরাপত্তায় প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র বসাচ্ছে আঙ্কারা।