হরমুজ প্রণালিতে জ্বালানিবাহী জাহাজে ইরানের হামলা এবং প্রণালিটি বন্ধের হুমকির কারণে বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটেছে। মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ হামলার জবাবে ইরান এই কৌশল নেওয়ায় তেল সরবরাহ ব্যবস্থা স্থবির হয়ে পড়েছে, যার ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের জন্য তীব্র ভূ-রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকট তৈরি হয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ এই সমুদ্রপথটি যেকোনো মূল্যে সচল রাখার ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি ইরানের উপকূলীয় অঞ্চলে ব্যাপক বোমা হামলার হুমকি দিয়েছেন। খবর আল-জাজিরার।
আজ শনিবার (১৪ মার্চ) নিজের সর্বশেষ ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ পোস্টে ট্রাম্প বলেন, “অনেক দেশ, বিশেষ করে যারা ইরানের হরমুজ প্রণালি বন্ধের প্রচেষ্টার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত, তারা এই প্রণালিকে উন্মুক্ত ও নিরাপদ রাখতে আমেরিকার সাথে একযোগে যুদ্ধজাহাজ পাঠাবে।”
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইরানের সামরিক সক্ষমতা ধ্বংস করার বিষয়ে তার আগের দাবির পুনরাবৃত্তি করেন। তবে তিনি এটিও স্বীকার করেছেন যে, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে ‘তাদের (ইরানের) পক্ষে একটি বা দুটি ড্রোন পাঠানো, মাইন ফেলা অথবা স্বল্পপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা সহজ’।
ট্রাম্প বলেন, “আশা করি চীন, ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাজ্য এবং অন্যান্য দেশ যারা এই কৃত্রিম বাধার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত, তারা ওই অঞ্চলে জাহাজ পাঠাবে। যাতে করে একটি সম্পূর্ণভাবে পঙ্গু হয়ে যাওয়া জাতির পক্ষ থেকে হরমুজ প্রণালি আর কখনোই হুমকি হয়ে না দাঁড়াতে পারে।”
যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ‘উপকূলীয় অঞ্চলে ভয়াবহ বোমা হামলা চালাবে’, বলে হুঁশিয়ারি দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ট্রাম্প আরো যোগ করেন, তিনি ‘যেভাবেই হোক’ এই প্রণালি উন্মুক্ত করবেন।