ইসরায়েলি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশটির প্রধান পারমাণবিক স্থাপনা অবস্থিত দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর দিমোনা এবং নিকটবর্তী আরাদে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ১৮০ জন আহত হয়েছেন। ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এটি সংঘাতের অন্যতম নাটকীয় বৃদ্ধি।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন শনিবারের এই হামলাকে দিনের শুরুতে ইরানের নাতাঞ্জ পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্রে হামলার “জবাব” হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। এটি এই সংঘাতে পাল্টাপাল্টি হামলার এক নতুন ও কঠোর পর্যায়ের সূচনা করেছে, যা এখন চতুর্থ সপ্তাহে পদার্পণ করেছে।
ইসরায়েলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, আরাদে অন্তত ১১৬ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে সাতজনের অবস্থা গুরুতর। শহরকেন্দ্রে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দিমোনায় বেশ কয়েকটি আবাসিক ভবন ধ্বংস হওয়ার পর আরো ৬৪ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর। তার শরীরে একাধিক স্প্লিন্টারের আঘাত রয়েছে।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এটিকে ইসরায়েলের জন্য একটি ‘কঠিন’ সন্ধ্যা বলে অভিহিত করেছেন এবং ইরানে হামলা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্যমতে, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় সেখানে অন্তত ২০০ শিশুসহ ১৫০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর একজন মুখপাত্র বলেছেন, হামলার সময় বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়েছিল, কিন্তু কিছু ক্ষেপণাস্ত্রকে বাধা দিতে ব্যর্থ হয়।
দমকলকর্মীরা বলেছেন, “ডিমোনা এবং আরাদ উভয় স্থানেই ইন্টারসেপ্টর উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল, যা ক্ষেপণাস্ত্রগুলোকে আঘাত হানতে ব্যর্থ হয়। এর ফলে শত শত কিলোগ্রাম ওজনের ওয়ারহেডসহ দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সরাসরি আঘাত হানে।”