আন্তর্জাতিক

ইরানজুড়ে হামলা: বিদ্যুৎকেন্দ্র-স্কুল-আবাসিক এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত

ইরানের রাজধানী তেহরানসহ দেশটির একাধিক বড় শহরে রাতভর ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়েছে মার্কিন-ইসরায়েলি বাহিনী।

ইসরায়েল দাবি করেছে, তাদের হামলাগুলো ইরানের সামরিক সদর দপ্তর, পুলিশ স্টেশন বা রাষ্ট্রীয় সংশ্লিষ্ট ভবনগুলোকে লক্ষ্য করে চালানো হচ্ছে, তবে বাস্তবে আবাসিক এলাকা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিদ্যুৎ অবকাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। খবর আল-জাজিরার।

আল-জাজিরার তেহরান প্রতিনিধি তোহিদ আসাদির তথ্যানুযায়ী, ইরানজুড়ে ৯২ হাজারেও বেশি মানুষ এসব হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ইরানের কারাজ, শিরাজ, কোয়ম, আবাদান এবং তাবরিজ শহরে একের পর এক হামলা চালানো হয়েছে। তেহরানের পার্শ্ববর্তী বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রগুলো লক্ষ্য করে হামলা চালানোয় রাজধানীর বিশাল একটি অংশ কয়েক ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন (ব্ল্যাকআউট) ছিল। যদিও ইরান সরকার দাবি করেছে, বর্তমানে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা হয়েছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ইরানে এখন পর্যন্ত অসংখ্য আবাসিক ভবন ছাড়াও প্রায় ৬০০টি স্কুল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বেশ কিছু হাসপাতাল ও রেড ক্রিসেন্টের কার্যালয়ও লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।

আজ সোমবার সকালে ইরানের তাবরিজে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ পেট্রোকেমিক্যাল ইউনিটে হামলা চালায় মার্কিন-ইসরায়েলি বাহিনী। ইরানি বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ জানায়, হামলার পর সেখানে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। তবে দ্রুততম সময়ের মধ্যে অগ্নিনির্বাপক বাহিনী আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে। বর্তমানে প্ল্যান্টটির পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং বিশেষজ্ঞরা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে কাজ করছেন।

এদিকে ঘণ্টাখানেক আগে ইসরায়েলি ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে জানায়, তারা তেহরানজুড়ে ইরান সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্য করে নতুন দফায় ‘সুনির্দিষ্ট হামলা’ শুরু করেছে।