মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন যে, ইরান আলোচনার টেবিলে ফিরে আসবে। একইসঙ্গে ট্রাম্প সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, তিনি ‘এক দিনের মধ্যে’ ইরানকে শেষ করে দিতে পারেন।
রবিবার ফক্স নিউজের ‘সানডে মর্নিং ফিউচারস উইথ মারিয়া বার্টিরোমো’ অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, “আমি ভবিষ্যদ্বাণী করছি যে তারা ফিরে আসবে এবং আমরা যা চাই, তার সবকিছুই আমাদের দেবে।”
তিনি আরো বলেন, “আমি সবকিছু চাই... তাদের হাতে কোনো তাস নেই।”
ট্রাম্প গত সপ্তাহে দেওয়া তার সেই হুমকিরও পক্ষে যুক্তি দেন। তিনি বলেছিলেন, “আজ রাতেই একটি গোটা সভ্যতার মৃত্যু হবে, যা আর কখনো ফিরে আসবে না।”
ট্রাম্প দাবি করেন, তার এই বিবৃতিটিই তেহরানকে আলোচনার টেবিলে এনেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “যখন আমি একটি সভ্যতার কথা বলছি তখন এটি সত্যিই বদলে গেছে। সত্যিই বদলেছে। কিন্তু ভেবে দেখুন। তাদের বলার অধিকার আছে, ‘আমেরিকার মৃত্যু হোক। এর মৃত্যু হোক’। আর আমি একটি বিবৃতি দিলাম। তারা বলল, ওহ, এতে আর এমন কী বড় ব্যাপার। ওই বিবৃতিটিই তাদের আলোচনার টেবিলে এনেছে এবং তারা আর সেখান থেকে সরে যায়নি।”
পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হওয়ার পর দেওয়া এক ভাষণে ট্রাম্প আলোচনার আগে দেওয়া সেই হুমকিরই পুনরাবৃত্তি করেন যে তিনি ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করবেন।
ট্রাম্প বলেন, “আমি একদিনে ইরানকে নিশ্চিহ্ন করে দিতে পারি।”
তিনি বলেন, “এক ঘণ্টার মধ্যে আমি তাদের পুরো জ্বালানি ব্যবস্থা, সবকিছু, তাদের প্রতিটি প্ল্যান্ট, তাদের বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র ধ্বংস করে দিতে পারি, যা একটি বিশাল ব্যাপার। আমি এটা করতে ঘৃণা করি, কারণ আমি যদি এটা করি, তবে তা পুনর্নির্মাণ করতে ১০ বছর সময় লাগবে, তারা আর কখনোই তা পুনর্নির্মাণ করতে পারবে না। আর আরেকটি জিনিস যা আপনি ধ্বংস করে দেবেন তা হলো সেতুগুলো।”