ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ২৫ বিলিয়ন ডলার খরচ হয়েছে। এই অর্থের বেশিরভাগই খরচ হয়েছে অস্ত্রের পেছনে। বুধবার (২৯ এপ্রিল) কংগ্রেসের কমিটির কাছে পেন্টাগনের কম্পট্রোলার জুলস হার্স্ট এ তথ্য জানিয়েছেন।
কমিটির ডেমোক্র্যাটিক র্যাংকিং সদস্য অ্যাডাম স্মিথ জানতে চান, ইরানের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের কত খরচ হয়েছে এবং আইনপ্রণেতারা পেন্টাগনের কাছ থেকে শিগগিরই খরচের একটি পূর্ণাঙ্গ হিসাব পেতে পারেন কিনা।
শুনানিতে উপস্থিত পেন্টাগনের কম্পট্রোলার জুলস হার্স্ট বলেন, ‘প্রায় ২৫ বিলিয়ন ডলার’, যার বেশিরভাগ খরচই যুদ্ধাস্ত্রের জন্য।
এর প্রতিক্রিয়ায় স্মিথ বলেন, “আমি খুশি যে আপনি এই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন, কারণ আমরা অনেক দিন ধরে এটি জানতে চাইছিলাম এবং কেউ আমাদের সঠিক সংখ্যাটি জানায়নি।”
তিনি তার পরের প্রশ্নটি যুদ্ধমন্ত্রী পিটার হেগসেথের দিকে ছুঁড়ে দেন। তিনি জানতে চান ইরানের পারমাণবিক হুমকি শেষ করার জন্য সরকারের পরিকল্পনা কী।
জবাবে হেগসেথ পূর্ববর্তী প্রশাসনগুলোকে ‘খারাপ চুক্তি’ করার জন্য অভিযুক্ত করেন এবং ২০১৬ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার অধীনে স্বাক্ষরিত জয়েন্ট কম্প্রিহেনসিভ প্ল্যান অফ অ্যাকশন (জেসিপিওএ), যা ইরান পারমাণবিক চুক্তি নামেও পরিচিত, তার কথা উল্লেখ করেন।
এর প্রতিক্রিয়ায় স্মিথ বলেন, “ওটা তো অতীত, ভবিষ্যৎ কী?”
তিনি প্রশ্ন তোলেন, এমন কোনো আসন্ন পারমাণবিক হুমকি ছিল কি না, যার জন্য ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ করা অপরিহার্য হয়ে পড়েছিল।
জবাবে হেগসেথ বলেন, ইরান ‘তাদের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা ত্যাগ করেনি’, যে কারণে যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের সঙ্গে একযোগে পদক্ষেপ নিয়েছিল।