আন্তর্জাতিক

ভোট গণনা সামনে রেখে পশ্চিমবঙ্গে বেড়েছে আবিরের চাহিদা

এমনিতে হোলির সময় ছাড়া আবিরের চাহিদা তেমন একটা থাকে না। কখনো কখনো বিভিন্ন পূজার প্রয়োজনে খুব সামান্য পরিমাণ আবির কিনে নিয়ে যান সাধারণ মানুষ। কিন্তু এবার ৪ মে ভোট গণনাকে ঘিরে পশ্চিমবঙ্গে চলেছে অকাল হোলির আয়োজন। ভোট পর্ব শেষ হতেই রাজধানী কলকাতা থেকে জেলার দোকানে দোকানে বিক্রি হতে শুরু করেছে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে মানানসই সবুজ, গেরুয়া এবং লাল আবির।  

রাজনৈতিক দলের কর্মীরা নিজেদের পছন্দের আবির আগে থেকেই মজুত শুরু করেছেন। চাহিদা বাড়তে দেখে সবুজ, গেরুয়া ও লাল আবিরের মজুত বাড়িয়েছেন ব্যবসায়ীরাও।

দ্বিতীয় দফা নির্বাচনের পর বুথ ফেরত সমীক্ষায় বিজেপি এগিয়ে থাকায় আচমকাই গেরুয়া আবিরের চাহিদা বেড়েছে। যদিও তৃণমূলের সবুজ আবিরের চাহিদাও খুব কম নেই। আবার মালদহ, মুর্শিদাবাদ ও উত্তর দিনাজপুরে জাতীয় কংগ্রেস কর্মীরাও একাধিক আসনে জয় পেতে পারে এমন আশায় আগেভাগে কিনেছেন সবুজ আবির। তবে বামপন্থীদের জেতার সম্ভাবনা একেবারে কম থাকায় তলানিতে লাল আবিরের চাহিদা। 

বাঁকুড়ার আবির ব্যবসায়ী রাজু কুন্ডু বলেন, “বেশি বিক্রি হচ্ছে গেরুয়া আবির। তবে সবুজ আবিরের চাহিদা আছে। এখানে লাল আবিরের চাহিদা নেই। কেজিতে ৫০ রুপি দাম বেড়েছে তারপরেও বিক্রিও বেড়েছে। এখনো পর্যন্ত ৩০০ বস্তা গেরুয়া আবির বিক্রি হয়েছে, সবুজ আবির বিক্রি হয়েছে ১০০ বস্তা। 

ব্যবসায়ী বাপি দাস বলেন, “লাল-গেরুয়ার চাহিদা আছে। বিক্রি হচ্ছে বেশি সবুজ আর গেরুয়া। তবে শুধু ভোটের জন্য নয়, হরিবোল মেলা আছে তো, তার জন্যও বাড়ছে।”

ব্যবসায়ী শঙ্কর সাহা, গুড্ডু মন্ডল জানান, লাল আবিরের চাহিদা নেই, গেরুয়া আবিদের চাহিদা বেশি। তবে সবুজ আবির সমানভাবে স্টকে রাখতে হচ্ছে।