যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার জন্য ইরান তাদের সর্বশেষ প্রস্তাব পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীদের কাছে পাঠিয়েছে। এই পদক্ষেপটি ইরান যুদ্ধ অবসানের প্রচেষ্টায় সৃষ্ট অচলাবস্থা ভাঙার সম্ভাবনাকে উন্নত করতে পারে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা শুক্রবার (১ মে) এ তথ্য জানিয়েছে।
ইরনা বিস্তারিত কিছু জানায়নি। তবে তাদের এই প্রতিবেদনের পর বিশ্বব্যাপী তেলের দাম কমে গেছে, যা হরমুজ প্রণালিতে ইরানের অবরোধ শুরুর পর থেকে তীব্রভাবে বেড়েছিল। গুরুত্বপূর্ণ এই সমুদ্রপথটি অবরোধের ফলে বিশ্বের ২০ শতাংশ তেল ও গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে এবং মার্কিন নৌবাহিনী ইরানের অপরিশোধিত তেল রপ্তানি আটকে দিয়েছে। এর ফলে জ্বালানির দাম বেড়েছে এবং অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা বৃদ্ধি পেয়েছে।
ইরানের প্রস্তাবটি ওয়াশিংটনে পাঠানো হয়েছে কিনা, তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট নয়। কিন্তু ইরানকে আলোচনায় বাধ্য করার জন্য নতুন সামরিক হামলার পরিকল্পনা সম্পর্কে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অবহিত করা হবে—এমন খবরের জেরে বৃহস্পতিবার এক পর্যায়ে বিশ্বব্যাপী তেলের দাম চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে যায়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে দুজন ঊর্ধ্বতন ইরানি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, ইরান তার বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করেছে এবং আক্রান্ত হলে ব্যাপক জবাব দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। তারা অনুমান করেছে যে, একটি সংক্ষিপ্ত ও তীব্র মার্কিন হামলা হবে, যার পরে সম্ভবত ইসরায়েলি হামলাও হতে পারে।