আন্তর্জাতিক

ইরাকে হামলা চালিয়েছিল সৌদি আরব

ইরান যুদ্ধের সময় সৌদি যুদ্ধবিমানগুলো ইরাকে তেহরান সমর্থিত  শক্তিশালী শিয়া মিলিশিয়াদের সাথে যুক্ত লক্ষ্যবস্তুতে বোমা হামলা চালিয়েছিল। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে বৃহস্পতিবার (১৪ মে) রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।

এই হামলাগুলো উপসাগরীয় অঞ্চলে সামরিক প্রতিক্রিয়ার একটি বৃহত্তর ধারার অংশ, যা সংঘাতের সময় মূলত গোপন ছিল। এই সংঘাতটি ইরানের ওপর মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার মাধ্যমে শুরু হয়েছিল এবং পরে বৃহত্তর মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়েছে।

এই প্রতিবেদনের জন্য রয়টার্স তিনজন ইরাকি নিরাপত্তা ও সামরিক কর্মকর্তা, একজন পশ্চিমা কর্মকর্তা এবং বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুই ব্যক্তির সাথে কথা বলেছে, যাদের মধ্যে একজন যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত।

একজন পশ্চিমা কর্মকর্তা এবং বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ব্যক্তি জানিয়েছেন, সৌদি বিমান বাহিনীর যুদ্ধবিমানগুলো ইরাকের সাথে সৌদি আরবের উত্তর সীমান্তের কাছে ইরান সংশ্লিষ্ট মিলিশিয়া লক্ষ্যবস্তুতে এই হামলাগুলো চালিয়েছে। কিছু হামলা ৭ এপ্রিলের মার্কিন-ইরান যুদ্ধবিরতির কাছাকাছি সময়ে সংঘটিত হয়েছিল।

সূত্রগুলো জানিয়েছে, তারা এমন স্থানগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছিল যেখান থেকে সৌদি আরব এবং অন্যান্য উপসাগরীয় রাষ্ট্রগুলোর ওপর ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছিল।

সামরিক মূল্যায়নের উদ্ধৃতি দিয়ে ইরাকি সূত্রগুলো জানিয়েছে, কুয়েতের ভূখণ্ড থেকে ইরাকের ওপর অন্তত দুইবার রকেট হামলা চালানো হয়েছে। এপ্রিলে এক দফা হামলায় দক্ষিণ ইরাকের মিলিশিয়া অবস্থানগুলোতে আঘাত হানা হয়, এতে বেশ কয়েকজন যোদ্ধা নিহত হয় এবং ইরান-সমর্থিত মিলিশিয়া কাতাইব হিজবুল্লাহর যোগাযোগ ও ড্রোন পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত একটি স্থাপনা ধ্বংস হয়ে যায়।

কুয়েত থেকে ছোড়া রকেটগুলো কুয়েতের সশস্ত্র বাহিনী নাকি মার্কিন সামরিক বাহিনী ছুড়েছে তা নিশ্চিত হতে পারেনি রয়টার্স। মার্কিন সামরিক বাহিনী এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। কুয়েতের তথ্য মন্ত্রণালয় এবং ইরাকি সরকার মন্তব্যের অনুরোধে তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দেয়নি।

এর আগে বুধবার রয়টার্স জানিয়েছিল, মার্চে ইরানের ভূখণ্ডে বেশ কিছু অঘোষিত হামলা চালিয়েছে সৌদি আরব।