গ্রিন কার্ড পেতে ইচ্ছুক বিদেশিদের এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরত গিয়ে নিজ দেশ থেকে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। শুক্রবার (২২ মে) এমনটাই জানিয়েছে মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবা (ইউএসসিআইএস)।
ইউএসসিআইএস একটি নীতি স্মারকলিপিতে এই পদক্ষেপের ঘোষণা দিয়েছে, যেখানে কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, বিশেষ সহায়তার প্রয়োজন আছে কিনা তা নির্ধারণ করার সময় প্রতিটি মামলার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক বিষয় ও তথ্য বিবেচনা করতে হবে।
গ্রিন কার্ড প্রক্রিয়াটি ৬০ বছরেরও বেশি সময় ধরে অপরিবর্তিত ছিল, যা অভিবাসন নীতিতে ট্রাম্প প্রশাসনের সর্বশেষ উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ।
ইউএসসিআইএস-এর তত্ত্বাবধানে থাকা মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ (ডিএইচএস) বলেছে, “যে বিদেশি সাময়িকভাবে যুক্তরাষ্ট্রে আছেন এবং গ্রিন কার্ড চান, তাকে আবেদন করার জন্য নিজ দেশে ফিরে যেতে হবে।”
ক্যাটো ইনস্টিটিউটের একজন বিশ্লেষকের মতে, যুক্তরাষ্ট্রে ১০ লাখেরও বেশি অভিবাসী তাদের গ্রিন কার্ডের জন্য অপেক্ষা করছেন।
মানুষ দুটি ভিন্ন উপায়ে গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদন করে: বিদেশে অবস্থিত মার্কিন কনস্যুলেটে আবেদন করে, অথবা যুক্তরাষ্ট্রে থাকাকালীন গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদন করে, যাকে বলা হয় ‘অ্যাডজাস্টমেন্ট অফ স্ট্যাটাস।’
ইউএসসিআইএস-এর নতুন নীতির ফলে, যুক্তরাষ্ট্রে থাকা অনেক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীকে সম্ভবত তাদের মামলার প্রক্রিয়া চলাকালীন দেশ ছাড়তে হবে। বিষয়টি দেশব্যাপী মিশ্র-মর্যাদার পরিবারগুলোকে প্রভাবিত করবে, কারণ এর ফলে গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের অনির্দিষ্টকালের জন্য চাকরি, বাড়ি এবং সম্পর্ক ছেড়ে যেতে বাধ্য হতে হবে। সংস্থাটি ইতিমধ্যেই ভিসা এবং গ্রিন কার্ড মামলার জট নিয়ে হিমশিম খাচ্ছে।
বর্তমানে বিচারাধীন গ্রিন কার্ড মামলাগুলো কীভাবে প্রভাবিত হবে তা স্পষ্ট নয়।