আন্তর্জাতিক

ইরানের সঙ্গে চুক্তি হলেও হামলা চালানোর স্বাধীনতা চায় ইসরায়েল

ইরানের সঙ্গে একটি শান্তি চুক্তিতে পৌঁছানোর দ্বারপ্রান্তে যুক্তরাষ্ট্র। ঠিক এই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র ইসরায়েল জানিয়েছে, তারা যে কোনো হুমকির বিরুদ্ধে হামলা চালানোর ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকবে। রবিবার (২৪ মে) রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।

শনিবার রাতে ট্রাম্প জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন ও তেহরান একটি শান্তি চুক্তির বিষয়ে সমঝোতা স্মারক নিয়ে ‘বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আলোচনা’ করেছে, যার মাধ্যমে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া হবে। 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ইসরায়েলি রাজনৈতিক সূত্র রবিবার রয়টার্সকে বলেছে, “গত রাতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে কথোপকথনে প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেছেন, লেবাননসহ সকল ক্ষেত্রে হুমকির বিরুদ্ধে ইসরায়েল তার পদক্ষেপের স্বাধীনতা বজায় রাখবে এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই নীতি পুনর্ব্যক্ত ও সমর্থন করেছেন।”

পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় একটি উদীয়মান চুক্তির মাধ্যমে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া হবে বলে ট্রাম্প জানানোর পর, তিন মাস ধরে চলা এই যুদ্ধে একটি যুগান্তকারী অগ্রগতি আসন্ন বলে প্রত্যাশা বেড়ে যায়। ইরানের ফার্স সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, খসড়াটিতে বলা হয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা ইরান বা তার মিত্রদের ওপর হামলা চালাবে না এবং এর বিনিময়ে ইরান তাদের ওপর হামলা না চালানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

ইসরায়েলি রাজনীতিবিদ বেনি গান্টজ জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তির অংশ হিসেবে লেবাননে যুদ্ধবিরতি মেনে নেওয়া ইসরায়েলের জন্য একটি কৌশলগত ভুল হবে। লেবাননে ইসরায়েলি সেনারা ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহ মিলিশিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য প্রবেশ করেছে।

ইসরায়েলি সূত্র অনুসারে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে ইসরায়েলকে অবহিত করছে।

সূত্রটি বলেছে, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এটা স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, তিনি ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ভেঙে দেওয়া এবং দেশটির ভূখণ্ড থেকে সমস্ত সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম অপসারণের বিষয়ে তার ধারাবাহিক দাবিতে আলোচনায় অটল থাকবেন এবং এই শর্তগুলো পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তিনি কোনো চূড়ান্ত চুক্তিতে স্বাক্ষর করবেন না।”