রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ভবনে হামলার ঘটনায় মামলা করেছে সংস্থাটি।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) বিকালে বিটিআরসির লিগ্যাল অ্যান্ড লাইসেন্সিং বিভাগের পক্ষ থেকে শেরেবাংলা নগর থানায় মামলাটি করা হয়। মামলায় ৫৪-৫৫ জনের নাম রয়েছে। অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে ৫০০ থেকে ৬০০ জনকে।
শেরেবাংলা থানার ওসি মনিরুল ইসলাম রাইজিংবিডি ডটকমকে বলেন, পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থল থেকে ও পরবর্তীতে অভিযান চালিয়ে এখন পর্যন্ত ৪৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
দেশে অবৈধ হ্যান্ডসেট বন্ধ করতে ১ জানুয়ারি থেকে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার সিস্টেমটি (এনইআইআর) আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয়। মূলত এর প্রতিবাদেই মোবাইল ব্যবসায়ীদের একটি অংশ এই বিক্ষোভ ও ভাঙচুর চালায়।
হামলা করে বিটিআরসি ভবনের কাঁচের দেয়ালসহ ভেতরের বিভিন্ন স্থাপনা ভাঙচুর করা হয়। ভবনের সামনে থাকা একটি স্টাফ বাসে আগুন দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। এতে প্রায় ২ কোটি ১ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
এদিকে গ্রেপ্তার মোবাইল ব্যবসায়ীদের মুক্তি ও মামলা প্রত্যাহারসহ এনইআইআর চালুর প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের জন্য সারা দেশে মোবাইল ব্যবসা-সংক্রান্ত সব দোকান বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছেন মোবাইল ব্যবসায়ীদের সংগঠন মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ (এমবিসিবি)। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) দুপুরে সংগঠনটির পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
অবশ্য আগামী ৯০ দিন কারো অবৈধ কিংবা ক্লোন করা হ্যান্ডসেট বন্ধ হবে না বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
অবৈধ ও অননুমোদিত মোবাইল হ্যান্ডসেটের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে সরকারের পূর্বঘোষণা অনুযায়ী ১ জানুয়ারি থেকে দেশে আনুষ্ঠানিকভাবে এনইআইআর ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। এই ব্যবস্থায় মোবাইল নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত সব ফোনের আইএমইআই নম্বর জাতীয় ডাটাবেজে যুক্ত করা হচ্ছে।