মিডিয়া

সংবাদমাধ্যমের যে বাস্তবতা তুলে ধরলেন মাহমুদুর রহমান

বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমের বাস্তবতা তুলে ধরে দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান বলেছেন, ফ্যাসিবাদী শাসনামলে নির্যাতিত বহু সাংবাদিকের পক্ষে মিডিয়ার বড় অংশ কখনোই দৃশ্যমান কোনো প্রতিবাদ করেনি। 

শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর বনানীর একটি হোটেলে সংবাদমাধ্যমের সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকদের সঙ্গে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

মাহমুদুর রহমান বলেন, “আমি কয়েকটা নাম বলব। সম্ভবত আমি না বললে এই নামগুলো আর কেউ উচ্চারণ করবে না।” 

এরপর তিনি প্রথমেই প্রয়াত সাংবাদিক রুহুল আমিন গাজীর নাম উল্লেখ করে বলেন, ক্যান্সারে আক্রান্ত গাজী ভাইকে ভুয়া মামলায় কারাগারে রেখে বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল। আজ এখানে যারা বসে আছেন, তাদের কেউ গাজী ভাইয়ের জন্য একটি শব্দও বলেননি।

এর পর প্রবীণ সম্পাদক আবুল আসাদের কথা উল্লেখ করে মাহমুদুর রহমান বলেন, ছাত্রলীগের কর্মীরা তাকে অফিস থেকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। বছরের পর বছর তাকে কারাবন্দি থাকতে হয়। তিনি স্ত্রীর মৃত্যুর সময় পাশে থাকতে পারেননি। তার জন্যও কোনো এলিট আওয়াজ ওঠেনি। 

তিনি আরো বলেন, ৮০ বছর বয়সে শফিক রেহমানকে কারাগারে মেঝেতে শুয়ে থাকতে হয়েছে, টয়লেট ব্যবহারেরও ন্যূনতম সুবিধা ছিল না। শফিক রহমানের জন্যও কেউ দাঁড়াননি। এটাই ছিল ফ্যাসিবাদের চরিত্র।

কনক সরোয়ারের প্রসঙ্গ টেনে মাহমুদুর রহমান বলেন, তারেক রহমানের একটি বক্তব্য লাইভ সম্প্রচার করাই ছিল তার ‘অপরাধ’। এজন্য তাকে প্রায় এক বছর কারাভোগ করতে হয় এবং তার বোনকেও ভুয়া মাদক মামলায় জেলে পাঠানো হয়। অথচ, সংবাদমাধ্যমের বিবেক তখন জাগ্রত হয়নি।