জাতীয়

৯-৫টা খোলা জায়গায় কাঁচাবাজার

করোনা রোধে ১ জুলাই ভোর ৬টা থেকে ৭ জুলাই মধ্যরাত পর্যন্ত কঠোর লকডাউন ঘোষণা করেছে সরকার। এসময়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত কাঁচাবাজার ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি বেচাকেনা করা যাবে।

বুধবার (৩০ জুন) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কঠোর লকডাউন নিশ্চিত করতে ২১টি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

এতে বলা হয়, কাঁচাবাজার ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত উম্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয় বিক্রয় করা যাবে। সংশ্লিষ্ট বাণিজ্য সংগঠন, বাজার কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি নিশ্চিত করবে।

লকডাউনে শপিংমল, মার্কেটসহ দোকান পাট বন্ধ থাকবে। তবে খাবারের দোকান, হোটেল রেস্তোঁরা সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত (অনলাইনে) খাবার বিক্রয় করতে পারবে। সেখানে বসে খেতে পারবে না কেউ।

কঠোর লকডাউনে জরুরি প্রয়োজনে ঘর থেকে বের হতে পারবেন। কারণ ছাড়া বের হলেই তাকে কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। লকডাউন কড়াকড়িভাবে প্রতিপালনে পুলিশ, বিজিবির পাশাপাশি সেনাসদস্যরা মাঠে থাকবে।

লকডাউনে অভ্যন্তরীণ বিমানসহ সড়ক, রেল, নৌপথের সকল গণপরিবহন বন্ধ থাকবে। এমনকি সকল প্রকার যন্ত্রচালিত যানবাহন বন্ধ থাকবে।

অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট বন্ধ থাকলেও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু থাকবে। বিদেশগামী যাত্রীরা তাদের আন্তর্জাতিক ভ্রমণের টিকেট প্রদর্শন করে গাড়ি ব্যবহার পূর্বক যাতায়াত করতে পারবে।

তাছাড়া পণ্য পরিবহনে নিয়োজিত ট্রাক, লরি, কাভার্ডভ্যান, কার্গো ভেসেল নিষেধাজ্ঞার আওতা বহির্ভূত থাকবে।

জরুরি পরিসেবা ছাড়া সকল সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্বশাসিত ও বেসরকারি অফিসসমুহ বন্ধ থাকবে।

জরুরি পরিসেবা ছাড়া সরকারি বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। তবে পরিসেবামূলক প্রতিষ্ঠানে কর্মরতদের প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয়পত্র প্রদর্শন করে যাতায়াত করতে হবে।

এতে বলা হয়, জরুরি পরিসেবা আইনশৃঙ্খলা ও জরুরি পরিসেবা যেমন; কৃষিপণ্য ও উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি) খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, রাজস্ব আদায় কার্যাবলি, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবা, ব্যাংক, ফার্মেসি ও ফার্মাসিউটিক্যালসসহ অন্যান্য জরুরি/অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহের কর্মচারি ও যানবাহন প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয়পত্র প্রদর্শন সাপেক্ষে যাতায়াত করতে পারবে।