বিদ্যমান আমদানি নীতি আদেশে (২০২১–২০২৪) বড় ধরনের পরিবর্তন এনে নতুন আমদানি নীতি আদেশের খসড়া প্রস্তুত করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। ব্যবসা-বাণিজ্য আরো সহজ করতে এই নীতিতে একাধিক সংস্কার আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।
রবিবার (১১ জানুয়ারি) সচিবালয়ে আমদানি নীতি আদেশ-সংক্রান্ত এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, বিদ্যমান আমদানি নীতি আদেশে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। কেবিনেটে অনুমোদন পেলেই এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে। আমাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে—আমদানি প্রক্রিয়াকে আরো সহজ ও উদার করা।
তিনি জানান, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট সব স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে আলোচনা করে খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে। খুব দ্রুত এটি কেবিনেটে উপস্থাপনের পরিকল্পনা আছে। আগামী কেবিনেট বৈঠকে না উঠলে পরবর্তী বৈঠকে বিষয়টি তোলা হবে।
এ সময় বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান বলেন, আমদানি ও বাণিজ্য নীতির বিভিন্ন ধাপে পরিবর্তন আনা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাণিজ্য সহজীকরণের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) ট্রেড ফ্যাসিলিটেশন অ্যাগ্রিমেন্টে স্বাক্ষর করেছে। সেই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী নীতিগত সংস্কারের মাধ্যমে ব্যবসা-বাণিজ্যকে আরো গতিশীল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, এসব পরিবর্তনের ফলে আমদানি কার্যক্রম সহজ হবে এবং ব্যবসায়ীরা বাস্তব সুবিধা পাবেন।