ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চিকিৎসককে মারধর ও চিকিৎসা সেবা বন্ধ রাখায় প্রায় আড়াই ঘণ্টা অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। বুধবার (২১ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ১টার দিকে ঢামেকের নতুন ভবনের মেডিসিন বিভাগের ৭ তলায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রোগীর নাম নাজমা বেগম (৩০)। তিনি ঢাকার কামরাঙ্গীচরের বাসিন্দা। অভিযোগ উঠেছে, চিকিৎসকের অবহেলা ও ভুল চিকিৎসায় তার মৃত্যু হয়েছে। রোগীর স্বজনদের দাবি, চিকিৎসক ইনজেকশন দেওয়ার পরপরই নাজমা বেগমের মৃত্যু হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্ষুব্ধ স্বজনরা দায়িত্বরত ইন্টার্ন চিকিৎসক সাকিব আহমেদকে মারধর করেন।
এর প্রতিবাদে হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা প্রধান ফটকে তালা দিয়ে চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম বন্ধ করে দেন। এতে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও স্বজনরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হাসপাতালে সেনাবাহিনী, র্যাব ও পুলিশ সদস্যরা মোতায়েন করা হয়।
ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মোহাম্মদ ফারুক জানান, প্রায় আড়াই ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর ভোর সাড়ে ৪টার দিকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পুনরায় চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু হয়। নিহত নারীর মরদেহ নতুন ভবন থেকে নিচে নামিয়ে রাখা হয়েছে। ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট কয়েকজন স্বজনকে থানায় নেওয়া হয়েছে।