জাতীয়

বেবিচক ভাগ করে রেগুলেটর ও অপারেটর নামে দুটি সংস্থা হচ্ছে

বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষকে (বেবিচক) ভেঙে রেগুলেটর ও অপারেটর নামে দুটি পৃথক সংস্থা গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। 

এ সিদ্ধান্তের বিষয়ে গত ২৮ জানুয়ারি বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সরকারি পত্রের মাধ্যমে বেবিচককে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করা হয়।

চিঠিতে বলা হয়, বর্তমানে বেবিচক একযোগে রেগুলেটর ও অপারেটর- এই দুই ধরনের দায়িত্ব পালন করে আসছে। রেগুলেটর হিসেবে প্রতিষ্ঠানটি বেসামরিক বিমান চলাচলের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা-সংক্রান্ত কার্যক্রম তদারকি করে। অন্যদিকে অপারেটর হিসেবে এয়ার নেভিগেশন পরিষেবা প্রদান এবং দেশের বিমানবন্দরগুলো পরিচালনার দায়িত্ব পালন করছে। এই দ্বৈত ভূমিকার কারণে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে স্বার্থের সংঘাত সৃষ্টি হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার পরিচালিত অডিটেও বেবিচকের রেগুলেটর ও অপারেটর সত্তা পৃথক করার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরা হয়েছে।

২০২৫ সালের ১৮ অক্টোবর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আমদানি কার্গো কমপ্লেক্সে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা তদন্তে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের নেতৃত্বে গঠিত কমিটির প্রতিবেদনে একই সুপারিশ করা হয়।

এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে সরকার বেবিচককে ভাগ করে পৃথক রেগুলেটর ও অপারেটর সংস্থা গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। 

চিঠিতে বলা হয়েছে, শিগগির প্রয়োজনীয় আইন ও বিধি প্রণয়ন ও সংশোধনের মাধ্যমে এয়ার নেভিগেশন পরিষেবা প্রদান এবং বিমানবন্দরগুলো পরিচালনার জন্য একটি স্বতন্ত্র অপারেটর সংস্থা গঠন করা হবে।

এই উদ্যোগের ফলে আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতা পূরণের পাশাপাশি বেসামরিক বিমান চলাচল-সংক্রান্ত পরিষেবার মান উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।