জাতীয়

প্রকৌশল খাতে অস্থিতিশীলতার শঙ্কা, ইসিকে জানাল কারিগরি ছাত্র আন্দোলন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রকৌশল খাতে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র ও উসকানিমূলক তৎপরতার আশঙ্কার কথা জানিয়ে নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করেছে কারিগরি ছাত্র আন্দোলন,বাংলাদেশ।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনে (ইসি) কারিগরি ছাত্র আন্দোলনের প্রধান কার্যনির্বাহী উপদেষ্টা রহমত উল আলম শিহাবের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল ইসির যুগ্ম সচিব মঈন উদ্দিন খানের কাছে দেওয়া স্মারকলিপিতে এসব কথা জানান।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, একটি স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে ডিপ্লোমা প্রকৌশলী ও বিএসসি প্রকৌশলীদের মধ্যকার দীর্ঘদিনের পেশাগত জটিলতাকে কেন্দ্র করে বিভ্রান্তি ও উত্তেজনা ছড়ানোর চেষ্টা করছে। এর মাধ্যমে নির্বাচন-পূর্ব সময়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা চলছে বলে দাবি করা হয়।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, ডিপ্লোমা ও বিএসসি প্রকৌশলীদের সমস্যা সমাধানের নামে গঠিত একটি তথাকথিত কমিটি একপাক্ষিক আলোচনা ও সিদ্ধান্তের মাধ্যমে পরিস্থিতিকে আরো জটিল করে তুলছে। প্রকৃত সমাধানের পথে না গিয়ে এই কমিটি পেশাজীবী সমাজে বিভাজন উসকে দিচ্ছে, যা নির্বাচনকালীন ঝুঁকিপূর্ণ বার্তা বহন করে।

এছাড়া দেশের বৃহৎ পেশাজীবী সংগঠন আইডিইবিকে (IDEB)  নির্বাচন-পূর্ব মুহূর্তে ইচ্ছাকৃতভাবে উসকে দেওয়ার চেষ্টাকে একটি সুস্পষ্ট ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখছে সংগঠনটি। অতীতেও একই মহল জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ সময়গুলোতে এ ধরনের অগণতান্ত্রিক তৎপরতার মাধ্যমে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করেছে বলেও স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়।

কারিগরি ছাত্র আন্দোলনের নেতারা বলেন, এ ধরনের উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড শুধু একটি পেশাজীবী গোষ্ঠীর জন্য নয়, বরং দেশের সামগ্রিক শান্তিপূর্ণ পরিবেশ, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া এবং আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্যতার জন্য হুমকিস্বরূপ।

কারিগরি ছাত্র আন্দোলনের প্রধান কার্যনির্বাহী উপদেষ্টা রহমত উল আলম শিহাব বলেন, “সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্বাচন কমিশন বিষয়টি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করবে এবং নির্বাচন-পূর্ব সময়ে কোনো গোষ্ঠী যেন পরিকল্পিতভাবে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতে না পারে, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় নজরদারি ও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।”