ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিষিদ্ধ ও নির্বাচনে সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছেন জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) ১১ দলীয় জোটের নেতারা।
সোমবার (৯ ফ্রেব্রুয়ারি) দুপুরে এনসিপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মিডিয়া সেক্রেটারি ইয়াসির আরাফাত এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, “আজ বিকেল ৩টায় ১১ দলীয় জোটের নেতারা নির্বাচন যাবেন। বুথের মধ্যে মোবাইল ফোন ব্যবহার করা যাবে না, এমনটা হলেও মানা যেত। কিন্তু ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল নিষিদ্ধ করার কোনো যুক্তি নেই। তার মানে সবাই বাড়িতে মোবাইল রেখে ভোটকেন্দ্রে যাবে? এটা কেমন কথা।”
ইয়াসির আরাফাত বলেন, “সরকারি লোকজন ছাড়া কেউ মোবাইল রাখতে পারবে না, এটা অদ্ভুত। ভোটকেন্দ্রে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে তার ডকুমেন্টেশন হবে কী করে? ভোটারের মোবাইলে ধারণকৃত ছবি বা ভিডিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এই সুযোগ বন্ধ করার চেষ্টা অহেতুক।”
গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন নেওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করেছে নির্বাচন কমিশন। তবে ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত সীমিত কর্মকর্তারা এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবেন। ইসির নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে সাধারণ ভোটারসহ কোনো ব্যক্তি মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন না।
তবে এ নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবেন ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্দিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা সদস্য। তারা হলেন— ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং অফিসার, ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ ইনচার্জ, ভোটকেন্দ্রে নিয়োজিত অঙ্গীভূত আনসার, সাধারণ আনসার ও ভিডিপির মধ্যে ‘নির্বাচন সুরক্ষা ২০২৬’ অ্যাপ ব্যবহারকারী সর্বোচ্চ দুই জন আনসার সদস্য।