জাতীয়

শ্যামপুর-জুরাইনে কেন্দ্রমুখী ভোটার আনা-নেওয়ায় সমর্থকেরা

ভোট দিতে এসে যেন যাতায়াতে কোনো ভোগান্তি না হয়; এই ভাবনা থেকেই শ্যামপুর ও জুরাইন এলাকায় ভোটারদের জন্য রিকশার ব্যবস্থা করেছেন বিভিন্ন প্রার্থীর সমর্থকেরা।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই ঢাকা-৪ (শ্যামপুর ও জুরাইন) আসনের একাধিক ভোটকেন্দ্রের আশপাশে এমন চিত্র দেখা গেছে। ভোটারদের কেন্দ্রে পৌঁছে দিতে বিএনপি প্রার্থীর সমর্থকেরা অন্তত পাঁচটি রিকশা নিয়োজিত রেখেছেন। সকাল থেকে এসব রিকশায় করে ভোটাররা কেন্দ্রে যাচ্ছেন এবং ভোট দেওয়া শেষে আবার বাড়ি ফিরছেন। কেন্দ্রের আশপাশে অবস্থান করা রাজনৈতিক কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকেরা ভোটারদের রিকশা পেতে সহায়তা করছেন।

জুরাইন হাই স্কুলসহ আশপাশের কয়েকটি কেন্দ্রের সামনে সকাল থেকেই রিকশার আনাগোনা চোখে পড়ে। সংশ্লিষ্টরা জানান, বিশেষ করে বয়স্ক, নারী ও অসুস্থ ভোটারদের জন্য এই উদ্যোগ কার্যকর ভূমিকা রাখছে।

ফরিদাবাদ বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক কালিম হোসেন বলেন, “ভোটের দিনে রিকশার সংকট থাকে। বয়স্ক ও নারী ভোটারদের কথা বিবেচনা করে সারাদিনের জন্য রিকশাচালক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। চালকদের নাস্তা, দুপুরের খাবার ও ভাড়ার দায়িত্বও তারা নিয়েছেন। ভোটাররা যতক্ষণ কেন্দ্রে আসবেন, ততক্ষণ এই সেবা চালু থাকবে।

একই ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে জামায়াতে ইসলামীও। দলটির কর্মী-সমর্থকেরা ব্যানার ও পোস্টার লাগানো রিকশায় ভোটারদের কেন্দ্রে আনা-নেওয়া করছেন। প্রধান সড়ক ধরে রিকশাগুলো ঘুরে ঘুরে ভোটার নামিয়ে দিয়ে আবার অন্যদের নিতে যাচ্ছে।

রিকশা সেবা পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বাকচরের বাসিন্দা মাহবুবুল আলম। তিনি বলেন, “স্ত্রী ও মাকে নিয়ে ভোট দিতে এসেছিলেন। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও রিকশা পাচ্ছিলাম না। তার মায়ের বয়স হওয়ায় হাঁটা কষ্টকর। পরে রিকশা পেয়ে স্বস্তি পেয়েছি।