প্রাথমিক শিক্ষায় লটারির মাধ্যমে ভর্তি প্রক্রিয়া নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেছেব ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ।
সংসদে হাসনাতের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, “বিগত সরকার লটারি সিস্টেম চালু করেছিল, যা যুক্তিসঙ্গত ছিল না। আগামী ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে আমরা ভর্তির নতুন পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করব।”
শিক্ষামন্ত্রী আরো জানান, ঢাকার প্রাথমিক স্কুলগুলোতে ভর্তি সমস্যা বেশি। তিনি বলেন, “আমরা অভিভাবক ও স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা করে নতুন ভর্তি নীতি নির্ধারণ করব। গ্রামীণ এলাকায় ভর্তি সমস্যা তুলনামূলক কম।”
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, “প্রাথমিক শিক্ষায় অ্যাডমিশন বাই মেরিট থেকে লটারিতে পরিবর্তনের ফলে শিক্ষার মান হ্রাস পেয়েছে। এর প্রভাব তৃতীয় পর্যায়ের শিক্ষায় পড়ছে। কোয়ালিটি সম্পন্ন ছাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছাচ্ছে না।”
তিনি শিক্ষামন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন করেন, “বর্তমান প্রাথমিক ভর্তি পদ্ধতি কি চালু থাকবে নাকি লটারির মাধ্যমে ভর্তি হবে।”
তিনি আরো বলেন, “দেশে ইংরেজি মাধ্যম কিনতে পারা পরিবার সেই মাধ্যম বেছে নিচ্ছে, বাকিরা প্রচলিত শিক্ষা বা মাদরাসা শিক্ষায় সীমাবদ্ধ। এমন পরিস্থিতিতে তিনটি ভিন্ন শিক্ষাপ্রকরণ রেখে একটি ইনক্লুসিভ শিক্ষা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা কতটা সম্ভব, তা ভাবার বিষয়।”