নিয়ম বহির্ভূতভাবে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধনের অভিযোগে বরিশালের অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা সৈয়দ শফিকুল হক ও ভোলার দৌলতখান উপজেলার ভারপ্রাপ্ত নির্বাচন কর্মকর্তা এস এম ইশতিয়াক আহমাদকে শাস্তি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
বুধবার (২৫ মার্চ) নির্বাচন কমিশন সূত্রে দুই পৃথক প্রজ্ঞাপন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
শাস্তির মধ্যে সৈয়দ শফিকুল হককে তিরস্কার ও এক বছরের জন্য বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি স্থগিত করা হয়েছে। অন্যদিকে এস এম ইশতিয়াক আহমাদকে নিম্নতর বেতন গ্রেডে অবনমিত করা হয়েছে।
ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, নিয়ম বহির্ভূতভাবে এনআইডি সংশোধনের অভিযোগে সৈয়দ শফিকুল হকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে ‘অসদাচরণ’-এর অভিযোগ আনা হয়। কারণ দর্শানোর জবাব ও ব্যক্তিগত শুনানি শেষে তদন্ত বোর্ড অভিযোগের সত্যতা পায়। পরে দ্বিতীয় দফা জবাবে তিনি অনিচ্ছাকৃত ভুলের কথা স্বীকার করলে তাকে লঘুদণ্ড হিসেবে তিরস্কার ও এক বছরের জন্য বেতন বৃদ্ধি স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
অন্য প্রজ্ঞাপনে, ইসির অতিরিক্ত সচিব কে এম আলী নেওয়াজ জানান, এস এম ইশতিয়াক আহমাদের বিরুদ্ধে নিয়মবহির্ভূতভাবে একাধিক এনআইডি সংশোধনের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। তদন্তে দেখা যায়, প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত ও জন্ম সনদ থাকা সত্ত্বেও তা উপেক্ষা করে তিনি ৯টি এনআইডি সংশোধনের আবেদন অনুমোদন করেন এবং প্রযোজ্য নির্দেশনা অমান্য করেন।এ ঘটনায় সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী বিভাগীয় মামলা করে শুনানি ও তদন্ত শেষে তাকে ‘অসদাচরণ’-এর দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। পরে তাকে লঘুদণ্ড হিসেবে নিম্নতর বেতন গ্রেডে নামিয়ে আনা হয়।