জাতীয় সংসদে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান স্পষ্ট করেছেন, দেশের সব সংস্কার সংবিধানের কাঠামোর ভেতরেই হবে, আর সেই প্রক্রিয়ায় জুলাই সনদ। হবে মূল দিকনির্দেশক।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সন্ধ্যায় কার্যপ্রণালি বিধির ৬২ ধারায় বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানের আনা মুলতবি প্রস্তাবের আলোচনায় তিনি বলেন, সংবিধান অস্বীকার করে আবার সেই সংবিধানের অধীনে শপথ নেওয়া বিরোধীদের দ্বৈত অবস্থান।
মন্ত্রী বলেন, জুলাই সনদে সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে সংস্কারের কথা বলা আছে তাই সংবিধানকে পাশ কাটিয়ে নয়, সামনে রেখেই পরিবর্তন আনতে হবে।
নারী প্রতিনিধিত্ব ও ডেপুটি স্পিকার পদ গ্রহণে বিরোধীদের অনীহারও সমালোচনা করেন তিনি।
অধ্যাদেশের বৈধতা প্রসঙ্গে সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ এবং ১৮৯৭ সালের জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টের কথা টেনে তিনি বলেন, “সাংবিধানিক ভিত্তি ছাড়া কোনো আদেশ আইনের মর্যাদা পায় না।”
সংবিধানকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গড়া সর্বোচ্চ সামাজিক চুক্তি অভিহিত করে তিনি সব দলের অংশগ্রহণে বিশেষ সংসদীয় কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেন, যাতে আলোচনার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনা যায়।