জাতীয়

পাটজাত পণ্য রপ্তানি বৃদ্ধিতে সমীক্ষা প্রকল্প নেওয়া হয়েছে: মন্ত্রী

উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর পাট ও বীজ উৎপাদন সম্প্রসারণে একটি সম্ভাব্যতা সমীক্ষা প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে মানসম্মত পাটজাত পণ্যের রপ্তানি উল্লেখযোগ্য হারে বাড়বে বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে সংসদ সদস্য শেখ মো. রেজাউল ইসলামের প্রশ্নের লিখিত জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। এদিন প্রশ্নোত্তর টেবিলে বিষয়টি উত্থাপিত হয়।

মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বের ১৩৮টি দেশে পাটজাত পণ্য রপ্তানি করছে। প্রধান বাজারগুলোর মধ্যে রয়েছে চীন, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, জাপান, ভারতসহ ইউরোপ, এশিয়া ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ।

পাটপণ্যের রপ্তানি বাড়াতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন তিনি। জুট ডাইভারসিফিকেশন প্রমোশন সেন্টার (জেডিপিসি) পিএলসি বিদেশে মেলা, সেমিনার ও সিম্পোজিয়ামে অংশ নিচ্ছে। পাশাপাশি উদ্যোক্তাদের দক্ষতা বাড়াতে রপ্তানি-সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ, পণ্যের নকশা ও মানোন্নয়ন, এক্সপোর্ট সার্টিফিকেশনসহ নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, “পাটপণ্যের বৈচিত্র্য ও প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে ঢাকা ও খুলনায় দুটি পাটপণ্য পরীক্ষাগার আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে কাঁচাপাটের গুণগত মান উন্নয়নেও জোর দেওয়া হচ্ছে।”

তিনি আরো জানান, রপ্তানি বাড়াতে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণের পাশাপাশি সরকার রপ্তানিকারকদের নগদ ভর্তুকিও দিচ্ছে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে পাটখাতকে আরো শক্তিশালী করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।