দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা পাট ও বস্ত্র কলগুলো পুনরায় চালু করা হলে উৎপাদন খাত আরো শক্তিশালী হবে বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম।
তিনি বলেছেন, “বন্ধ থাকা পাট ও বস্ত্র কলগুলো দ্রুত চালু করতে কাজ করছে সরকার। এ লক্ষ্যে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক টেন্ডারের মাধ্যমে বিনিয়োগ আনার প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।”
সোমবার (১৩ এপ্রিল) বাংলাদেশ সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান আহসান খান চৌধুরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, “যেসব পাটকল ইতোমধ্যে লিজ দেওয়া হয়েছে, সেগুলোর অনেক জমি এখনো অব্যবহৃত রয়েছে। এসব জমিতে বিনিয়োগ বাড়ানো গেলে নতুন শিল্প স্থাপন সম্ভব হবে, যা উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। অব্যবহৃত সম্পদকে কাজে লাগাতে পারলে দেশের শিল্প খাত নতুন গতি পাবে। এতে জাতীয় অর্থনীতি আরো শক্তিশালী হবে।”
প্রাণ আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান আহসান খান চৌধুরী পাট শিল্পের উন্নয়নে সরকারের উদ্যোগকে স্বাগত জানান।
বন্ধ মিল চালুর জন্য টেন্ডার প্রক্রিয়াকে ইতিবাচক উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ শিল্প খাতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে।
বাংলাদেশ জুট মিলস কর্পোরেশনের (বিজেএমসি) অধীনে থাকা ২৫টি পাটকলের কার্যক্রম ২০২০ সালে বন্ধ ঘোষণা করা হয়। পরে ২০টি মিল লিজ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়। ১৪টি মিল ইতোমধ্যে লিজ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে চালু থাকা ৯টি মিলে দৈনিক প্রায় ১০০ মেট্রিক টন পণ্য উৎপাদন হচ্ছে।