জাতীয়

জোটে নাম না থাকলেও নারী আসনে মনোনয়ন জমা দিলেন এনসিপির নুসরাত

জামায়াত জোট মনোনীত সংরক্ষিত নারী আসনের তালিকায় নাম না থাকলেও মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (জাতীয় নাগরিক পার্টি) যুগ্ম আহ্বায়ক নুসরাত তাবাসসুম।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার প্রায় ১৯ মিনিট পর তিনি মনোনয়নপত্র জমা দেন। 

সন্ধ্যা ছয়টার দিকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব সালেহ উদ্দিন সিফাত সাংবাদিকদের জানান, নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়েছে এবং তারা একটি রিসিভ কপি গ্রহণ করেছেন। এতে ১৯ মিনিট বিলম্বে গ্রহণ করা হয়েছে বলে উল্লেখ রয়েছে। এসময় নুসরাত তাবাসসুম উপস্থিত থাকলেও এ বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।

এ বিষয়ে সংরক্ষিত নারী আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দিন খান বলেন, “তারা জমা দিয়ে থাকতে পারে। তবে সময়ের পরে জমা হলে তা আমলে নেওয়ার সুযোগ নেই।”

এদিকে, মনোনয়ন জমার শেষ দিনে জামায়াত জোট মনোনীত ১৩ জন নারী প্রার্থীও তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন নূরুন্নিসা সিদ্দীকা, মারজিয়া বেগম, সাবিকুন্নাহার মুন্নী, নাজমুন নাহার নীলু, মাহফুজা হান্নান, সাজেদা সামাদ, শামছুন্নাহার বেগম, মারদিয়া মমতাজ, রোকেয়া বেগম, মনিরা শারমিন, মাহমুদা আলম মিতু, তাসমিয়া প্রধান ও মাহবুবা হাকিম।

জামায়াত জোটের প্রার্থী হিসেবে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তবে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) ১৯৭২ অনুযায়ী তার প্রার্থিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

আইন অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি সরকারি বা সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানের চাকরি থেকে পদত্যাগ বা অবসরের তিন বছরের মধ্যে সংসদ সদস্য নির্বাচনে অযোগ্য বিবেচিত হতে পারেন। জানা গেছে, মনিরা শারমিন ২০২৩ সালের ১১ নভেম্বর বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে যোগ দেন এবং গত বছরের ডিসেম্বরে চাকরি ছাড়েন। ফলে চাকরি ছাড়ার সময় থেকে মাত্র চার মাস পার হওয়ায় তার মনোনয়ন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।