সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে বিএনপি জোটের প্রার্থী জীবা আমিনা খানের মনোনয়ন বৈধতার বিরুদ্ধে করা আপিল খারিজ করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ফলে তার মনোনয়ন বৈধ থাকছে।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) ঢাকার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে আপিল শুনানি শেষে খারিজ করে দেওয়া হয়।
আপিল শুনানি প্রধান নির্বাচন কমিশনার(সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনসহ অন্য চার কমিশনার উপস্থিত ছিলেন।শুনানিতে জীবা আমিনা খানের বিরুদ্ধে দ্বৈত নাগরিকত্ব ও সম্পদ গোপনের অভিযোগ তোলা হয়।
শুনানি শেষে আপিলকারী পক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার হারুনর রশীদ বলেন, “জীবা আমিনা খান ২১ এপ্রিল মনোনয়নপত্র জমা দেন এবং হলফনামায় উল্লেখ করেন যে তিনি একই দিনে ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন।”
তিনি দাবি করেন, “ব্রিটিশ ন্যাশনালিটি অ্যাক্ট ১৯৮১ অনুযায়ী নাগরিকত্ব ত্যাগের প্রক্রিয়া তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয় না। কোনো ব্যক্তি নাগরিকত্ব ত্যাগের আবেদন করলেই তা কার্যকর হয় না; বরং যুক্তরাজ্যের হোম অফিসে তা নিবন্ধিত হওয়ার পরই তা কার্যকর হয়। এছাড়া, অন্য কোনো দেশের নাগরিকত্ব নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত পূর্বের নাগরিকত্ব বহাল থাকে।”
তিনি আরো বলেন, “এসব বিবেচনায় মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় জীবা আমিনা খানের ব্রিটিশ নাগরিকত্ব বহাল ছিল। বিষয়টি ইসিকে জানানো হলেও কমিশন আপিল খারিজ করে দিয়েছে। এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যাব।”
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ অনুযায়ী দ্বৈত নাগরিকত্ব বহাল থাকা অবস্থায় কোনো ব্যক্তি নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন না।