জাতীয়

‘অপতথ্য ঠেকাতে লিগ্যাল প্যানেল গঠন করছে সরকার’

ভুল ও অপতথ্যের বিস্তার ঠেকাতে সরকার আইনি ব্যবস্থা জোরদারের উদ্যোগ নিয়েছে। এ লক্ষ্যে একটি লিগ্যাল প্যানেল গঠন করা হচ্ছে, যা মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশনসংক্রান্ত বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার(২৮  এপ্রিল) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

‘অর্ধেক খাল খননের কথা আমি বলিনি:

পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের কাজের অগ্রগতি তুলে ধরতে গিয়ে উপদেষ্টা বলেন, গত সপ্তাহের ব্রিফিংয়ে তিনি বলেছিলেন, কর্মসূচিভুক্ত ১ হাজার ২৬০ কিলোমিটার খালের মধ্যে ৫৬১ কিলোমিটার খনন হয়েছে, যা ৪৪ দশমিক ৫৫ শতাংশ। অথচ একটি পরিচিত জাতীয় দৈনিক ফটোকার্ড বানিয়ে প্রচার করেছে, আমি নাকি বলেছি সারা দেশের অর্ধেক খাল খনন হয়ে গেছে। ফ্যাক্ট-চেকাররা এটাকে ডিসইনফরমেশন হিসেবে চিহ্নিত করেছে বলেন জাহেদ উর রহমান।

তিনি বলেন, “মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশন সরকার টলারেট করবে না। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পার্থক্য আছে। প্রতিষ্ঠান যখন করে, তখন বিষয়টি আরো গুরুতর।”

জ্বালানির দাম বাড়ানোর কথাও বিকৃত করা হয়েছে:

উপদেষ্টা জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর নামে ভুয়া ফটোকার্ড ছড়িয়ে বলা হচ্ছে, তিনি নাকি বলেছেন জনগণের কল্যাণের জন্য জ্বালানির দাম বাড়ানো হয়েছে।

তিনি বলেন, “আমি এভাবে বলিনি। অথচ পরিচিতজনরাও কার্ড পাঠিয়ে জানতে চাইছেন আমি সত্যি এ কথা বলেছি কি না বলেন তিনি।”

সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “অনুরোধ করছি, সাংবাদিকতা যেন সাংবাদিকতাই থাকে। সরকারের সমালোচনা করার অনেক জায়গা আছে। শেখ হাসিনা দেশটাকে এত বাজেভাবে রেখে গেছেন যে সর্বোচ্চ চেষ্টার পরও সমালোচনার জায়গা তৈরি হবে। ব্যর্থতা থাকলে সেটা নিয়ে জেনুইন সমালোচনা করুন, স্বাগত জানাব। কিন্তু অপতথ্য দিয়ে বানানো ফটোকার্ড অ্যালাউ করব না।” 

হচ্ছে লিগ্যাল প্যানেল: 

জাহেদ উর রহমান বলেন, অপতথ্য ঠেকাতে সরকার একটি লিগ্যাল প্যানেল করছে। তারা এসব বিষয়ে কাজ করবে। আমরা মেয়াদের শেষ দিন পর্যন্ত মিডিয়াকে ভয় পেতে চাই। মিডিয়ায় সরকারের যৌক্তিক সমালোচনা আরো বাড়ুক, সেটাই চাই। কিন্তু প্লিজ, মিসইনফরমেশন, ডিসইনফরমেশন না।