জাতীয়

চাঁদাবাজির তথ্য পেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

চাঁদাবাজি কোথায় বেড়েছে, সেই তথ্য পেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

তিনি বলেন, “বিরোধীদলীয় নেতার কাছে যদি চাঁদাবাজি বেড়ে যাওয়ার খতিয়ান থাকে, তা আমার কাছে দিলে বা সাংবাদিকরা দিলে সেই জায়গাটা চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব।”

মঙ্গলবার (১২ মে) সচিবালয়ে ঈদুল আজহা উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, কোরবানির পশুর হাটের নিরাপত্তা ও সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে অনুষ্ঠিত সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

সম্প্রতি জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান দাবি করেন, চাঁদাবাজির কারণে বাজারে পণ্যের দাম বেড়েছে। এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “চাঁদাবাজি কোথায় বেড়েছে, সেই তথ্য পেলে আমরা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে পারব। সেই তালিকাটা আপনাদের মাধ্যমে বিরোধীদলীয় নেতার কাছে যেতে পারে। অথবা পত্রিকায় আমরা আরো বেশি করে প্রকাশ করতে পারি। কোথায় চাঁদাবাজি বৃদ্ধি পেল, সেই তালিকা পেলে ব্যবস্থা নেব।”

মন্ত্রী জানান, গত ৩০ এপ্রিল থেকে দেশজুড়ে চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, অস্ত্রধারী, মাদক কারবারি ও জুয়াড়িদের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান চলছে। বিশেষ করে মাদক ও অবৈধ অস্ত্রধারীদের গ্রেপ্তারে জোর দেওয়া হয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তর, ডিএমপি ও জেলা পুলিশ সুপারদের নিয়মিতভাবে অভিযানের অগ্রগতি প্রতিবেদন দিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এর আগে রাজধানীর মিরপুর-১ এর শাহ আলী পাইকারি বাজার পরিদর্শন করেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। পরিদর্শনকালে ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, সরকারিভাবে পাঁচ হাজার টাকায় ভাড়া দেওয়া শাহ আলী কাঁচাবাজারের দোকান বরাদ্দ পাওয়া মালিকরা দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত ভাড়া নিচ্ছেন। এর সঙ্গে চলছে নীরব চাঁদাবাজি। কারা চাঁদাবাজি করছে, তা বলতেও ভয় পাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।

এ প্রসঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, “প্রতিরোধ করতে হবে সম্মিলিতভাবে। ব্যবসায়ীরা চাইলে প্রতিরোধের জন্য আমরা প্রস্তুত আছি। তিনি সংসদের শেষ অধিবেশনের শেষ দিনে নিজের বক্তব্য তুলে ধরে বলেন, আমি বলেছিলাম, সংসদ সদস্যরা যদি সিদ্ধান্ত নেন যে বাংলাদেশে চাঁদাবাজি হবে না, তাহলে কেউ করার সাহস করবে না। আমরা চাই, চাঁদাবাজিটা বন্ধ হোক।”