মঙ্গলবার ছিল আরাফাতের দিন। শ্রেষ্ঠতম বরকতময় দিন। ইবাদত ও প্রার্থনা কবুলের দিন। আজ আরাফাতে অবস্থান করছেন আল্লাহর মেহমানরা। সূর্যাস্ত পর্যন্ত ঐতিহাসিক এ ময়দানে অবস্থান করবেন হাজিরা। তাঁবুতে তাঁবুতে চলছে দোয়া-দরুদ ও নানা ধর্মীয় আলোচনা, ওয়াজ-নসিহত।
শরিয়তে আরাফাতে অবস্থানই হজ হিসেবে অভিহিত। সে কারণে আল্লাহর কাছে তার মেহমানদের আজ নানা আর্তি। হজ কবুলের জন্য মহান রবের কাছে নিবেদন ও প্রার্থনা জানাচ্ছেন হাজিরা।
তাঁবুর ভেতর-বাইরে হাজিরা দুহাত তুলে করছেন মোনাজাত। কেউ চুপিসারে, কেউবা উচ্চস্বরে করছে ক্রন্দন। অতীতের ভুল-ত্রুটি ও পাপমোচনে চলছে রোনাজারি। তীব্র তাপদহে হাজিদের তাঁবুতে অবস্থান করার নির্দেশনা থাকলেও তা মানতে চাইছেন না তাঁরা।
গতকাল রাত থেকেই মিনা থেকে আরাফাতের উদ্দেশে রওয়ানা করেন আল্লাহর মেহমানরা। দুপুরে আরাফাতে মসজিদে নামিরাতে হজের খুতবা দেন ইমামুম হজ মসজিদে নববীর প্রধান ইমাম ও খতিব শায়েখ আলি বিন আবদুল রহমান আল-হুজাইফি। খুতবার পর হাজিরা একসাথে যোহর ও আসরের নামাজ আদায় করেন।
আজ সূর্যাস্তের পর মুজদালিফার উদ্দেশে রওয়ানা দিবেন হাজিরা। তাঁরা সেখানে মাগরিব ও এশার নামাজ শেষে উন্মুক্ত আকাশের নিচে রাত্রীযাপন করবেন।
পরদিন (বুধবার) ফজরের নামাজ শেষে মুজদালিফা থেকে মিনায় যাবেন হাজিরা এবং শুধু বড় জামারায় কঙ্কর নিক্ষেপ করবেন। এরপর মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের আশায় পশু কোরবানিসহ হজের অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা পালন করবেন।