জাতীয়

জ্বালানি খাতে আমিরাতের সহায়তা চাইলেন প্রতিমন্ত্রী 

সংযুক্ত আরব আমিরাতকে জ্বালানি খাতে সব ধরনের সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

একই সঙ্গে সার কারখানা ও ভারী ইস্পাত শিল্পকে গ্রিন হাইড্রোজেনে রূপান্তরে আমিরাতের বিনিয়োগ ও কারিগরি সহায়তা চেয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সচিবালয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত আব্দুল্লাহ আলী আল-হামুদীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে প্রতিমন্ত্রী এ আহ্বান জানান। এ সময় রাষ্ট্রদূত জ্বালানি খাতে বাংলাদেশকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, “সংযুক্ত আরব আমিরাত ঐতিহাসিকভাবে বাংলাদেশের অপরিশোধিত তেল এবং পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানির অন্যতম প্রধান ও নির্ভরযোগ্য উৎস।”

তিনি বলেন, “বিশ্ববাজারে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি বা আকস্মিক ধাক্কা সামলে নিতে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি কাঠামোর আওতায় আনার বিষয়টি তিনি রাষ্ট্রদূতের কাছে পুনর্ব্যক্ত করেছেন।”

সাক্ষাৎকালে প্রতিমন্ত্রী এলএনজি বাণিজ্যের সম্প্রসারণ, স্পট মার্কেটের অস্থিরতা এড়ানো, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি গ্রিড আধুনিকীকরণ, কার্বন নির্গমন হ্রাস, স্বয়ংক্রিয় সাব-স্টেশন এবং বন্দরের কাছাকাছি জ্বালানি বাঙ্কারিং সুবিধা তৈরিতে সহায়তার বিষয়ে রাষ্ট্রদূতকে অবহিত করেন।

তিনি বলেন, “সংযুক্ত আরব আমিরাত যেভাবে গ্রিন হাইড্রোজেন উৎপাদনের হাব তৈরি করছে, তেমনিভাবে বাংলাদেশ সরকার সার কারখানা এবং ভারী ইস্পাত শিল্পকে প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে গ্রিন হাইড্রোজেন বা গ্রিন অ্যামোনিয়াতে রূপান্তরের বিষয়ে বিনিয়োগ এবং কারিগরি সহযোগিতা চায়।”

রাষ্ট্রদূত আব্দুল্লাহ আলী আলহামুদী বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে তার সরকারের আগ্রহের কথা জানান এবং সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তিনি দুই দেশের ঐতিহাসিক অংশীদারিত্বকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

এ সময় জ্বালানি সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, বিদ্যুৎ সচিব মিরানা মাহরুখ ও সংযুক্ত আরব আমিরাত দূতাবাসের কর্মকর্তা আলতাপ হোসেন উপস্থিত ছিলেন।