তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে বাংলাদেশ দল এখন ভারতে। রোববার দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচে মুখোমুখি হবে ভারত-বাংলাদেশ। এই সফরে যাওয়ার একদিন আগে বাংলাদেশের তারকা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানকে আইসিসি ২ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করে। নিষেধাজ্ঞার কারণে এই সফরে যেতে পারেননি তিনি। তার অভাব অনুভব করছেন বাংলাদেশ দলের কোচ রাসেল ডমিঙ্গো। তিনি জানিয়েছেন সাকিব আল হাসান এমনই একজন খেলোয়াড় যার অভাব পূরণ করার মতো নয়।
আজ শুক্রবার দিল্লিতে অনুশীলন শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ‘সে বাংলাদেশের অনেক বড় একজন খেলোয়াড় এবং অনেক খেলোয়াড়ের ভালো বন্ধু। সুতরাং তার না থাকাটা অনেক খেলোয়াড়ের উপরই প্রভাব ফেলবে। অবশ্যই সে একটি ভুল করেছে এবং সেটার মাশুল দিচ্ছে। তার নিষেধাজ্ঞায় দলে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে সেটা নিয়ন্ত্রণ করার কোনো উপায় নেই। অবশ্যই তার অনুপস্থিতি দলের পারফরম্যান্সে প্রভাব ফেলবে। তবে আমাদের এই সিরিজ ও বিশ্বকাপে মনোযোগী হতে হবে।’
সাকিব নেই মানে এমন একজন ব্যাটসম্যান নেই যার ঝুলিতে ১১ হাজার আন্তর্জাতিক রান রয়েছে। এমন একজন বোলার নেই তার ঝুলিতে তিন ফরম্যাটে ৫০০ উইকেট রয়েছে। তার মতো খেলোয়াড়ের অভাব পূরণ করা সহজ ব্যাপার নয়। বিষয়টি কোচও জানেন, ‘সে প্রায়শই ৩ নম্বরে ব্যাট করে। বোলিংটাও শুরু করে সে। প্রত্যেক ম্যাচেই চার ওভার বল করে। পাশাপাশি সে একজন প্রথম সারির ব্যাটসম্যান। সুতরাং সে না থাকা মানে আপনাকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে আপনি তার পরিবর্তে একজন বোলার নিবেন, নাকি একজন ব্যাটসম্যান নিবেন। কারণ, আপনি চাইলেই দুইজন নিতে পারবেন না। সুতরাং সাকিবের অভাব পূরণ করা সহজ কাজ নয়। তার মতো স্কিল সম্পন্ন খেলোয়াড় পাওয়াও কঠিন। সুতরাং সাকিব না থাকা মানে আপনাকে একটা বিভাগে জোর দিতে হবে, অন্য বিভাগে ছাড় দিতে হবে।’
বাংলাদেশের প্রধান কোচ হিসেবে যোগ দেওয়ার পর সাকিব আল হাসানের সঙ্গে খুব বেশি কাজ করার সুযোগ পাননি ডমিঙ্গো। কিন্তু অল্প সময়েই তিনি বুঝতে পেরেছেন যে সাকিব আল হাসান ড্রেসিং রুমে কতোটা সম্মান পান, ‘তাকে আসলে ব্যক্তিগতভাবে চেনার সুযোগ হয়নি আমার। খুব বেশি কাজ করারও সুযোগ পাইনি আমি। কিন্তু খেলোয়াড়রা তাকে বেশ সম্মান করে, মান্য করে।’ ঢাকা/আমিনুল