ভারতজুড়ে লকডাউন। এদিকে থেমে নেই মৃত্যু। দূরে বসবাসের কারণে অনেকে শেষবারের মতো প্রিয়জনের মুখও দেখতে পারছেন না। সন্তান বেঁচে থাকতেও মুখাগ্নি করতে হচ্ছে অন্যজনকে। এ এমনই এক ক্রান্তিকাল এসেছে আজ পৃথিবীতে। প্রশ্ন উঠেছে ঋষি কাপুরের শেষকৃত্য নিয়েও। কতজন সেখানে থাকার অনুমতি পাবেন? কন্যা ঋদ্ধিমা কাপুর থাকেন দিল্লি- তিনি বাবাকে শেষবারের মতো দেখতে পাবেন তো?
জানা গেছে ঋষি কাপুরের মৃত্যু সংবাদ পেয়েই ঋদ্ধিমা রওনা দিয়েছেন ১৪০০ কি.মি. দূর থেকে। যে করেই হোক বাবাকে শেষবারের মতো দেখতে চান তিনি। স্বামীর সঙ্গে দিল্লিতে থাকেন ঋদ্ধিমা। বাবার অসুস্থতার খবর শোনার পর চার্টার্ড বিমানে মুম্বাইয়ে যাওয়ার অনুমতি চেয়েছিলেন। কিন্তু অনুমতি মেলেনি। তিনি তখন বিকল্প পথ বেছে নেন। জানা গেছে সড়ক পথে রওনা হয়েছেন। এ প্রসঙ্গে দিল্লি পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এনডিটিভি ডটকমকে বলেন, ‘কাল রাতেই আমরা যখন জানতে পেরেছি, সঙ্গে সঙ্গে অনুমতি দিয়েছি। ঋদ্ধিমা মুম্বাই যেতে পারবেন। কারণ এটা মানবিক বিষয়। মেয়ে বাবাকে শেষবারের মতো বিদায় জানাতে চাইছেন- অনুমতি না দিয়ে পারিনি।’
কিন্তু দিল্লি থেকে মুম্বাইয়ে সড়ক পথে যেতে প্রায় ১৮ ঘণ্টা সময় লাগে। অন্যদিকে শোনা যাচ্ছে, ঋষি কাপুরের শেষকৃত্য আজই অনুষ্ঠিত হবে। তাই বাবাকে দেখতে পাবেন কি না এ নিয়ে তৈরি হয়েছে সংশয়।
এর আগে লকডাউন ও হাসপাতালে থাকার কারণে সম্প্রতি মায়ের মৃত্যুর পর জানাজায় থাকতে পারেননি ইরফান খান। ভিডিও কলের মাধ্যমে মাকে চিরবিদায় দেন তিনি। গতকাল তিনি নিজেও পরপারে পাড়ি জমিয়েছেন। কয়েকদিন আগে অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তীর বাবা বসন্তকুমার চক্রবর্তী মারা যায়। মিঠুনও লকডাউনের কারণে বাবার শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে পারেননি। ঢাকা/মারুফ/তারা