ক্যাম্পাস

হাল্ট প্রাইজ যবিপ্রবির চ্যাম্পিয়ন টিম ‘ফুড কটেজ’

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) অনুষ্ঠিত হাল্ট প্রাইজের অন ক্যাম্পাস প্রোগ্রামে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে টিম ‘ফুড কটেজ’। 

রোববার (৫ ডিসেম্বর) রাতে কমিটি সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। 

এর আগে ৪ ডিসেম্বর রাতে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে এই প্রোগ্রামের যবিপ্রবি রাউন্ডের ফাইনাল পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। চ্যাম্পিয়ন টিম ‘ফুড কটেজ’ দলের সদস্য ফাহিম মুনতাসির রাব্বি, উসামা, এবং শাহ বুশরাত জাহান। তারা পরিবেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।

প্রাথমিক বাছাইপর্ব শেষে ১৮টি টিমকে নির্বাচিত করা হয়। পরবর্তী সময়ে ৬টি টিম ফাইনালের জন্যে নির্বাচিত হয়। গ্রান্ড ফিনালে এই ৬টি টিমের সদস্যরা নিজেদের বিজনেস প্ল্যান উপস্থাপন করেন। পরবর্তী সময়ে বিচারকদের বিচারে টিম ‘ফুড কটেজ’ চ্যম্পিয়ন হয় এবং ১ম রানার-আপ ও ২য় রানার-আপ হয় যথাক্রমে টিম ‘টেট্ট্রাসাইক্লিন’ এবং টিম ‘ডোপামিন’।

হাল্ট প্রাইজ যবিপ্রবি ২০২০-২১ এর সঙ্গে যুক্ত সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে যবিপ্রবির ক্যাম্পাস ডিরেক্টর সৌমিত্র দাস বলেন, ‘‘শুভকামনা জানাই সব টিমকে, যারা এই প্রতিযোগিতায় রেজিস্ট্রেশন করেছিল। প্রতিটা টিমের আইডিয়া ইউনিক ছিল। যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা উদ্যোক্তা হিসেবে কতটা মননশীল, সেটা এই প্রতিযোগিতায় প্রতিযোগীর সংখ্যা বিবেচনা করলেই বোঝা যায়।

যবিপ্রবির যেই টিমটি এবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে, তারা যেন তাদের পরবর্তী রাউন্ডে ভালো করে বিশ্ব দরবারে যবিপ্রবির নাম উজ্জল করতে পারে, তাদের জন্য শুভকামনা। ’’

সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ও হাল্ট প্রাইজ যবিপ্রবি ২০২০-২১ সেশনের উপদেষ্টা ড. মীর মশাররফ হোসেন, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফাহিম শাহরিয়ার (রিজিওনাল অ্যাসোসিয়েট, এশিয়া)।

প্রসঙ্গত, হাল্ট প্রাইজ ফাউন্ডেশন একটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান। বিশ্বের প্রায় ১২১টির বেশি দেশ এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। প্রতিবছর জাতিসংঘের একটি চিহ্নিত সমস্যা সমাধান ও তা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ব্যবসায়িক পরিকল্পনার জন্য ১ মিলিয়ন ডলার পুরস্কার দেওয়া হয়।

যবিপ্রবি/মাহি