শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে ফিল্ডিং কোচ রায়ান কুক ও পেস বোলিং কোচ ওটিস গিবসনকে পায়নি বাংলাদেশ। পারিবারিক কারণে ছুটি নিয়েছিলেন তারা। তবে জিম্বাবুয়ে সফরে ফিরছেন দুজনই।
জিম্বাবুয়ে সফরে বাংলাদেশের কোচিং স্টাফদের সবাই থাকবেন বলে নিশ্চিত করেছেন ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের ম্যানেজার সাব্বির খান। তিনি জানান, দল যেদিন জিম্বাবুয়ে পৌঁছাবে, আগে-পরে হলেও সেদিনই কোচিং স্টাফদের পৌঁছে যাবেন।
প্রধান কোচ রাসেল ডমিঙ্গো, ফিল্ডিং কোচ কুক ও ব্যাটিং পরামর্শক হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া অ্যাশলে প্রিন্স জোহানেসবার্গ থেকে জিম্বাবুয়ে যাবেন। গিবসন যাবেন ইংল্যান্ড থেকে। এছাড়া স্পিন বোলিং পরামর্শক হিসেবে নিয়োগ পাওয়া রঙ্গনা হেরাথ দোহায় দলের সঙ্গে যোগ দেবেন।
মঙ্গলবার (২৯ জুন) ভোরে টেস্ট দল জিম্বাবুয়ের উদ্দেশ্যে রওনা হবে। কাতারের দোহায় প্রায় ছয় ঘণ্টার ট্রানজিট রয়েছে। সেখান থেকে সরাসরি জিম্বাবুয়ের হারারেতে পৌঁছাবে দল। পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে ছুটিতে থাকা সাকিব আল হাসান যুক্তরাষ্ট্র থেকে জিম্বাবুয়েতে যাবেন ৩ জুলাই।
জিম্বাবুয়ে সফরে কোনও কোয়ারেন্টাইন পালন করতে হবে না বাংলাদেশ দলকে। পৌঁছানোর পরের দিন থেকেই অনুশীলনের সুযোগ পাবেন মুমিনুল-তামিমরা। প্রত্যেককে কোভিড নেগেটিভ সার্টিফিকেট নিয়ে যেতে হচ্ছে। এজন্য রোববার (২৭ জুন) বিসিবিতে করোনা পরীক্ষার নমুনা দিয়েছেন ক্রিকেটাররা।
৭ জুলাই দুই দলের একমাত্র টেস্টটি শুরু হবে। এর আগে ৩ ও ৪ জুলাই দুই দিনের প্রস্তুতি ম্যাচও খেলবেন ক্রিকেটাররা। ১৬, ১৮ ও ২০ জুলাই হবে তিন ওয়ানডে। ২৩, ২৫ ও ২৭ জুলাই তিনটি টি-টোয়েন্টিতে লড়বে দুই দল। সব ম্যাচ হবে হারারে স্পোর্টস ক্লাবের মাঠে।
টেস্ট স্কোয়াড: মুমিনুল হক (অধিনায়ক), তামিম ইকবাল, সাদমান ইসলাম, মোহাম্মদ সাইফ হাসান, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, নাজমুল হোসেন শান্ত, মুশফিকুর রহিম, সাকিব আল হাসান, লিটন কুমার দাস, ইয়াসির আলী চৌধুরী, কাজী নুরুল হাসান সোহান, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, নাঈম হাসান, আবু জায়েদ রাহী, তাসকিন আহমেদ, ইবাদত হোসেন চৌধুরী ও শরিফুল ইসলাম।