সারা বাংলা

চন্দ্রা ত্রিমোড়ে গাড়ি না পেয়ে যাত্রীদের ভোগান্তি

সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউনের মধ্যেই খুলে দেওয়া হয়েছে পোশাক কারখানা। রোববার থেকে কারখানা খোলা শুনে হাজার হাজার শ্রমিকরা ফিরতে শুরু করেছেন ঢাকা ও আশপাশের শিল্প- অঞ্চলে।

শনিবার (৩১ জুলাই) সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, ঢাকা টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় উত্তরবঙ্গের হাজার হাজার যাত্রীর ভিড়। এসকল যাত্রীরা ঠাকুরগাঁও, রংপুর, দিনাজপুর, গাইবান্ধা, বগুড়া, রাজশাহী, নাটোর, পাবনা ও সিরাজগঞ্জ থেকে এসেছেন। সারারাত ট্রাক, পিকাপ, প্রাইভেট কার, মোটরসাইকেলযোগে কয়েকগুণ বেশি ভাড়া দিয়ে ফিরছেন তারা।

একই অবস্থা দেখা গেছে ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়কেও। সেখানেও বিভিন্ন উপায়ে গাজীপুরে প্রবেশ করলেও এখানে এসে যানবাহন না পেয়ে বাকি রাস্তা পায়ে হেঁটে রওনা হয়েছেন সাধারণ যাত্রীরা।

খতিব উদ্দিন শুক্রবার (৩০ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টায় রওনা দিয়েছিলেন। ঠাকুরগাঁও থেকে ২৫০০ টাকা জনপ্রতি ভাড়া দিয়ে হাইসে করে চন্দ্রা ত্রিমোড়ে এসেছেন। ২০ ঘণ্টা যাত্রাপথে বিভিন্ন সমস্যার কথা জানালে তিনি। তার গন্তব্য ঢাকার মিরপুর কিন্তু যানবাহন না পেয়ে বসে আছেন চন্দ্রায়।

বেলাল হোসেন জানান, রাত ১১ টায় কাঁচামালবাহী ট্রাকে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ থেকে রওনা দিয়েছিলেন। তিনি কাজ করেন টঙ্গীর কলেজ গেট এলাকার একটি পোশাক কারখানায়। গতকাল সন্ধ‌্যায় ফ্যাক্টরি থেকে এসএমএস দিয়ে বলেছে, রোববার সকাল হতে কাজে যোগ দিতে। এজন্য রাতেই রওনা হয়েছেন তিনি। 

তবে সকাল হতে রাস্তায় ও চেকপোস্টে দেখা যায়নি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো সদস্যদের। এ ব্যাপারে সকাল হতে হাইওয়ে পুলিশের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা ফোন রিসিভ করেননি জন‌্য কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।