সারা বাংলা

‘রানওয়ে সম্প্রসারণের মধ্য দিয়ে কক্সবাজারে গড়ে উঠবে এভিয়েশন হাব’

বর্তমানে কক্সবাজার বিমানবন্দরে ৯ হাজার ফুট দীর্ঘ রানওয়েটি ১০ হাজার ৭০০ ফুটে উন্নীত করার কাজ চলছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৩০০ ফুট থাকবে সমুদ্রের মধ্যে। এতে রানওয়ে সম্প্রসারণের মধ্য দিয়ে কক্সবাজারে গড়ে উঠবে এভিয়েশন হাব। সেই সঙ্গে কক্সবাজার বিমানবন্দরের মহেশখালী চ্যানেলের দিকে জমি অধিগ্রহণের মাধ্যমে সম্প্রসারিত হচ্ছে এই রানওয়ে।

শনিবার (২৮ আগস্ট) বেলা ১২টায় কক্সবাজার বিমানবন্দরে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি দেখতে এসে বেসরকারি বিমান চলাচল করপোরেশনের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এম মুফিদুর রহমান এসব কথা বলেন।

বেবিচক চেয়ারম্যান বলেন, ‘আগামী ২৯ আগস্ট ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সম্প্রচারণ কাজের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই রানওয়ে প্রথমে ৯ হাজার ফুট থেকে আরও তিন হাজার ফুট সমুদ্র কুলে সম্প্রচারণের কথা ছিল। কিন্তু অনেক গবেষণা ও কক্সবাজারের পরিবেশের কথা চিন্তা করে ১ হাজার ৭০০ ফুটে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত হয়।’

চেয়ারম্যান জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে এটি উন্নীত করা হচ্ছে। ২০১৭ সালে তিনি পরিদর্শনে এসে এটি সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত নেন। কক্সবাজার অর্থনৈতিকভাবে বিশাল সম্ভাবনাময় একটি পর্যটন শহর। দেশ-বিদেশ থেকে পর্যটকরা এখানে আসবেন। দিবা-রাত্রি বড় বড় বিমান এখানে অবতরণ করবে।

এদিকে, পশ্চিম পাশের বসতিগুলোকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় খুব সুন্দরভাবে পুনর্বাসন করা হয়েছে। খুরুশকুল আশ্রয়ণ কেন্দ্রে তাদের স্থানান্তর করা হয়েছে। বিমান বন্দরের রানওয়ে সম্প্রাসারণে প্রায় ১৬ কোটি টাকা খরচ হচ্ছে।

সম্প্রচারিত হলে দেশের পর্যটনসহ অর্থখাতে ব্যাপক পরিবর্তন আসবে। এটি কক্সবাজারবাসীর জন্য আনন্দের। এছাড়াও এ বিমানবন্দরকে ঘিরে তৈরি হবে একটি এভিয়েশন হাব।

এদিকে, রানওয়ে সম্প্রচারণকে ঘিরে নানা রঙে সেজেছে কক্সবাজার শহর। মোড়ে মোড়ে বসানো হয়েছে এলইডি প্রজেক্টর। সেখানে দেখানো হবে উদ্ধোধনী অনুষ্ঠান। ব্যানার-পোস্টারে চেয়ে গেছে পুরো শহর। সাধারণ মানুষের মাঝেও চলছে আনন্দ-খুশির আমেজ।